দেশের আন্তর্জাতিক তারকা হিসেবে কারও নাম বলতে গেলে চলে আসে নুসরাত ফারিয়ার নাম। বাংলাদেশ-ভারতে সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বাহ্যিক সৌন্দর্যের মতোই সদ্য ফোটা ফুলের সুবাস ছড়ায় তার চিন্তাধারা। অনেকে তাকে ‘বিউটি উইথ ব্রেইন’ বলে থাকেন।
অন্যদিকে অভিনয় দক্ষতা ও সৌন্দর্যের দ্যুতির তিল পরিমাণ ঘাটতি নেই অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনার মাঝে। তার দর্শকপ্রিয়তাও ঈর্ষণীয়। তবুও প্রতিযোগিতার ইঁদুর দৌড়ে শামিল হন না তিনি। কাজ করে যান নিজের মতো বেছে বেছে। এভাবেই যাকিছু ভালো তা দিয়ে নিজের ঝুলি পূর্ণ করছেন তিনি।
এই দুই তারকা বাঁধা পড়লেন একসূত্রে। অভিনয়ে পাশাপাশি চিত্রশিল্পী হিসেবেও নাম করেছেন ভাবনা। সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত নিজের চিত্রকর্ম প্রকাশ করেন তিনি। এবার ভাবনার আঁকা ‘মুখ ও মুখোশ’ সিরিজের তিনটি ছবি সংগ্রহ করলেন ফারিয়া। বিষয়টি নেট মাধ্যমে ভাবনা নিজেই জানিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে ভাবনা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘ফারিয়া আমার কলিগ ও ভালো বন্ধু। তো সম্প্রতি সে ফোন করলো, জানালো নতুন বাসা নিয়েছে। সে চাইছে তার বাসার দেয়াল আমার ছবি দিয়ে সাজানো হোক। এরপর সে আসলো আমার বাসায়। আমার কাজগুলো দেখলো, প্ল্যান করলো। এরপর ৫টা ছবি সিলেক্ট করলো। আমিও ওর বাসার দেয়াল সিলেক্ট করে সেগুলো ঝুলিয়ে দিলাম। এটাই আসলে প্রক্রিয়া। এখানে নিলামে তোলার মতো কিছু হয়নি!’
না, গিফট নয়। নুসরাত ফারিয়া নগদ টাকায় কিনে নিয়েছেন ভাবনার আঁকা চিত্রকর্মগুলো। ভাবনা বলেন, ‘কিনেছে তো বটেই। কিন্তু সেটা বিষয় নয়। এখানে আলোচ্য বিষয় হলো, কলিগ হিসেবে একজন আরেকজনের কাজ অ্যাপ্রিসিয়েট করার প্রক্রিয়াটা। ও আরও অনেক অসাধারণ এবং বিখ্যাত ছবি দেয়ালে ঝুলাতে পারতো। কিন্তু সে আমার ছবিটাই নিলো। এর মূল কারণ আমাকে সে অ্যাপ্রিসিয়েট করলো। এটা অসাধারণ একটা অনুভূতি। কারণ, এই প্র্যাকটিস তো আমাদের মধ্যে খুবই কম।’
