রাজিব আহমেদ রাসেল, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে গত শুক্রবার (২০নভেম্বর) র্যাপিড এ্যাকশান ব্যাটেলিয়ন র্যাব-১২ এর জঙ্গি বিরোধী অভিযানে আটক ৪ জেএমবি সদস্যকে গতকাল শনিবার (২১নভেম্বর) শাহজাদপুর থানায় হাজির করে তাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দিয়েছে র্যাব। পরে শাহজাদপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে তাদের সিরাজগঞ্জ আদালতে হাজির করা হয়, আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জানা যায়, গতকাল শুক্রবার ৪ জঙ্গিকে গ্রেফতার করে সিরাজগঞ্জ র্যাব-১২ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। গতকাল শনিবার কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে সাদা মাইক্রোবাসে করে র্যাব সদস্যরা ৪ জঙ্গিকে শাহজাদপুর থানায় নিয়ে আসে। এসময় শাহজাদপুর থানা ও এর আশপাশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে থানা পুলিশ। বেলা ৩টায় শাহজাদপুর থানায় প্রবেশ করে জঙ্গিদের বহনকারী র্যাবের সাদা মাইক্রোবাস।
পরে র্যাব-১২ স্পেশাল কোম্পানির ডিএডি আনোয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে আটককৃত ৪ জঙ্গির নামে অস্ত্র আইনের ১৯এ,১৯এফ ধারায় একটি, বিস্ফোরক আইনের ১৯০৮ এর ৪/৫ ধারায় একটি ও সন্ত্রাস বিরোধী আইনের ২০১৯ এর ৮,৯,১০,১১ ধারায় একটি, মোট ৩টি মামলা করে।
পরে সন্ধ্যায় শাহজাদপুর থানা পুলিশ ও র্যাবের বহরের গাড়িসহ মোট চারটি গাড়িতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ৪ জঙ্গিকে সিরাজগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এসময় আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে গ্রেফতারকৃত জঙ্গিদের নাম ঠিকানা জানা যায় তারা হলো, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার আঞ্চলিক কমান্ডার পাবনার সাথিয়ার দারামুদা গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে শামীম ওরফে কিরন ওরফে হামীম (২০), সাতক্ষীরার দক্ষিণ নলতা গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে আমিনুল ইসলাম ওরফে শান্ত (২০), পাবনার সাথিয়ার দারামুদা গ্রামের আবু তালেবের ছেলে নাঈমুল ইসলাম নাঈম (২১) , দিনাজপুরের কোতোয়ালি থানার সাহা পাড়ার মানিক হোসেনের ছেলে আতিউর রহমান (১৯)।
শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিদ মাহমুদ খান জানান, আটককৃত জেএমবি সদস্যদের নামে অস্ত্র, বিস্ফোরক ও সন্ত্রাস বিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা তিনটি তদন্তের জন্য শাহজাদপুর থানার পরিদের্শক (অপারেশন এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং) আব্দুল মজিদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
