ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ের ‘বুকের মধ্যে আগুন’ ওয়েব সিরিজটি নিয়ে আপত্তি তোলেন প্রয়াত তারকা সালমান শাহ’র পরিবার। সিরিজটির নির্মাতা তানিম রহমান অংশুকে আইনি নোটিশও পাঠানো হয়েছে। নায়কের পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও সিরিজটি মুক্তি দিয়েছে হইচই।
বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) রাতে আট পর্বের সিরিজটি মুক্তি দেওয়া হয়েছে। পর্বগুলোর নাম, ‘ফিরে আসার গল্প’, ‘বন্ধু নাকি শত্রু’, ‘চেনা যখন অচেনা’, ‘স্নেহের ছলনা’, ‘উত্থান-পতন’, ‘প্রণয়ের পালাবদল’, ‘পতনের প্রস্তুতি’, ‘হত্যা নাকি আত্মহত্যা?’
এদিকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব নায়ক সালমান শাহ’র। মাত্র চার বছরে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। তুঙ্গে থাকা অবস্থাতেই সালমান শাহের ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় । যে রহস্যের জট আজও খোলেনি।
এদিকে চলতি বছরের শুরুতে গুঞ্জন রটে, এই অমর নায়ককে নিয়ে ‘বুকের মধ্যে আগুন’ ওয়েব সিরিজ নির্মিত হয়েছে।
এসবের মধ্যেই ‘হইচই’ থেকে প্রচার করা হচ্ছে ‘বুকের মধ্যে আগুন’। এতে দেখা যাচ্ছে, রহস্যজনকভাবে ৯০ দশকের একজন সুপারস্টার ও স্টাইল আইকন মারা যান। সেই মৃত্যু রহস্য উন্মোচন করবেন অপূর্ব। সালমান শাহর মৃত্যু রহস্য কি না, সেই বিষয়টি পরিষ্কার করেনি কর্তৃপক্ষ। গল্পে দেখানো হয়েছে, সেই সুপারস্টার নায়কের ভক্ত হলেন অপূর্ব।
দর্শক বলছেন, সালমান শাহ যা যা করতেন ঠিক তেমনভাবে ‘বুকের মধ্যে আগুন’-এর আরমান চরিত্রে অভিনয়ের চেষ্টা করেছেন ইয়াশ রোহান। আর তার স্ত্রীর (সামিরা)-এর মতো অবিকল দেখা গেছে তমা মির্জাকে।
শনিবার (৪ মার্চ) রাতে একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে জিয়াউল ফারুক অপূর্ব বলেন, ‘মাত্র দুদিন হলো এটি রিলিজ হয়েছে। দর্শকদের ভালো রেসপন্সের আভাস পাচ্ছি। ক্রিটিকস ও আমার সহকর্মীদের কাছ থেকেও ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। আলহামদুলিল্লাহ্।’
ওয়েব সিরিজটির গল্প প্রসঙ্গে অপূর্ব বলেন, ‘এটি একটি ফিকশন হিসেবে পরিচালক তুলে ধরেছে। যদি ওনাকে (সালমান শাহ্) নিয়ে তৈরি হতো তাহলে ‘বেইজড অন অ্যা ট্রু স্টোরি’ (সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত) উল্লেখ থাকতো। গল্পে কোথাও তা উল্লেখ নাই। তাই এটি শুধুই ফিকশন হিসেবে কাউন্ট করা উচিত।’
যদি সালমান শাহ’র পরিবার থেকে সত্যি সত্যি মামলা করা হয়? জানতে চাইলে অপূর্ব বলেন, যদির কথা নদীতে থাক। এসব নিয়ে আর কথা না বলি।
