সন্তানের সব আবদার পূরণ করলেই যে আপনি আমি গুড প্যারেন্ট হবেন সেটা ঠিক না। ক্ষেত্র বিশেষে এটা প্রচন্ড রকম ব্যাড প্যারেন্টিংও বটে সন্তান চাইলেই সব দিতে হয় না, চাইলেই সব দিয়ে দিলে একটা সময় তার লোভ সামাল দিতে পারবেন না। তখন সে আর আপনাকেই চাইবে না।
অভাব না শেখান- তবে সংযম/ধৈর্য্য শেখান। ধরেন- একটা বাচ্চা ছেলে ভালো গাড়ি চালাতে পারে না, তাকে সাময়িক খুশি আর টাকার জোরে গাড়ি কিনে দিবেন না। এতে সাময়িক সুখের চেয়ে চিরস্থায়ী সুখ বিলীন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।
আমার একমাত্র মেয়ে ৯৮/৯৯ এর দিকে গাড়ি নিয়ে সামান্য রাস্তায় রিক্সার সাথে ধাক্কা লাগায়। আমি তাকে আর গাড়ি চালাতে দেইনি। যদিও এখন সে আমেরিকাতে ভালো গাড়ি চালায়, তবে আমেরিকা যাওয়ার আগে ঢাকায় আমি তার হাতে আমার গাড়ির চাবি দেইনি।
তাকে আমি রাগ করিনি তবে বুঝাতে সক্ষম হয়েছিলাম যে ভালোভাবে চালাতে না জেনে গাড়ি তে বসে অন্য মানুষের ক্ষতি করাকে আনন্দ বলে না। মা।
(অভিনেত্রী নূতনের ফেসবুক আইডি থেকে সংগৃহীত)
