২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়তে স্মার্ট জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে চায় সরকার। সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কোস্টগার্ড সদর দপ্তরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কোস্টগার্ড সদস্যদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের ব্যবসা বাণিজ্য এবং সমুদ্রপথে সব ধরনের নিরাপত্তা বিধানে আপনারা বিশাল অবদান রেছে চলেছেন। আপনারা যে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, এর ফলে আমি মনে করি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জণগণই সব থেকে বেশি লাভবান হবে।’
‘এই বাহিনীর মূলমন্ত্র হলো গার্ডিয়ান এক্সেস অর্থাৎ সমুদ্রে সক্ষমতা অর্জন। যা সর্বদা সমুদ্র অঞ্চলে জনগণের বন্ধু হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা’-যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
‘বাংলাদেশ কোস্টগার্ড অপকর্মতা রুখে দিয়ে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নিরীহ নিপীড়িত জণগণের পাশে প্রকৃত বন্ধু হিসেবে ইতিমধ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই বাহিনীর প্রতিটি সদস্য দেশপ্রেম মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে এনে দেশের সার্থ সংশ্লিষ্ট সব নিরাপত্তা ঝুঁকিমূলক কার্যক্রম- সমুদ্রবন্দরে নিরাপত্তা প্রদান, অস্ত্র চোরাচালান মাদক পাচার, অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত মৎস শিকার, সমুদ্র ও নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ জলদস্যুতা- বনদস্যুতা দমনে কার্যকর ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক মন্দা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে বলেন, করোনাভাইরাস এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বেই অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। এই মন্দা যাতে আমাদের দেশে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে না পারে, সেজন্য আমাদের সরকার সর্বদা সচেষ্ট। এজন্য আমি আহ্বান করছি, দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমি জেনে খুশি হয়েছি যে, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের প্রতিটি বেইস, স্টেশন, আউটপোস্টসহ উপকূলীয় অঞ্চলে বৃক্ষরোপণসহ অন্যান্য শাক-সবজি, ফল-মূল উৎপাদন করা হচ্ছে। আমাদের খাদ্য আমরা নিজেরাই উৎপাদন করব। সবাই মিলে জাতির পিতার স্বনির্ভর ‘সোনার বাংলাদেশ’ আমরা গড়বই, ইনশাআল্লাহ। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে সুখী-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’।
