২০১৯ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে হঠাৎই রাজনীতির রাজপথে দেখা যায় অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদকে। তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন বাংলাদেশের এ জনপ্রিয় চিত্রনায়ক। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। ভিসা বাতিলসহ তাকে ‘কালো তালিকা’য় ফেলা হয়।
সময় অনেকটা পেরিয়েছে। কালো থেকে তিনি সাদা তালিকায় এসেছেন। অনেক আগেই পেয়েছেন ভিসা। আর এবার কলকাতা গিয়েছিলেন পুরোনো পরিচয়ে, শুটিংয়ে অংশ নিতে। তবে সেটা আর হয়নি।
টলিউডে নির্মিত হচ্ছে ‘মীর জাফর : চ্যাপ্টার টু’। যার পরিচালক অর্কদীপ মল্লিকা নাথ। পশ্চিমবঙ্গের এ সিনেমায় আছেন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমেদ ও জিয়াউল রোশান। এ সিনেমার কাজে কলকাতা গিয়েছিলেন ফেরদৌস।
শুটিং করতে না পারা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার শুটিং ছিল ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে। সে অনুযায়ী সেখানে গিয়েছিলাম। তবে একটা জটিলতায় দুই মাসের মতো শুটিংটা পেছাতে হয়েছে। তাই ঢাকায় ব্যাক করেছি।’
ফেরদৌস গত বুধবার বাংলাদেশে এসেছেন। এ ছবিতে থ্রিলার আবহে থাকছে সীমান্তবর্তী এলাকা রাজনীতির ছোঁয়া। ফেরদৌস রয়েছেন এলাকার মুকুটহীন বাদশা ‘মোক্তার হোসেন’ চরিত্রে। তার দাপট এতটাই যে, এলাকাবাসী তাকে ‘সিরাজ’ নামে ডাকে। চরিত্রটির লুকে চমক রয়েছে—চাপদাড়ি, চোখে সুরমা, পরনে লুঙ্গি-পাঞ্জাবি।
