বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হয়ে ভারতে থাকা লেখিকা তসলিমা নাসরিন হাসপাতালের ভুল চিকিৎসার শিকার হয়েছেন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, আমি কার কী ক্ষতি করেছিলাম?
আজ রোববার (২২ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন লেখিকা।
এদিন তিনি লেখেন, ‘মৃত্যুই জীবনের সমাপ্তি। কিন্তু মৃত্যু আমার জীবনে কোনো সমাপ্তি আনেনি শনিবার দুপুর বেলায়। শনিবার দুপুর বেলায় আচমকা কিছু লোক অন্ধকার থেকে উঠে এসে আমার চোখ বাধলো প্রথম, তারপর হাত ও দুটো পা। এরপর আরও গভীর অন্ধকারে নিয়ে গিয়ে আমার খুলি খুলে মস্তিষ্ক বের করে নিল, বুক খুলে হৃদপিণ্ড।’
লেখিকা আরও লেখেন, ‘আমি এখনো অন্ধকারে পড়ে আছি। তবে আমি শ্বাস নিচ্ছি এখন। কারণ ফুসফুস দুটো এখনো বেঁচে আছে। এখনো হাত দুটো শূন্যে মেলে দিতে পারছি। এখনো চিৎকার করতে পারছি, বলতে পারছি—কার কী ক্ষতি করেছিলাম?’
রোববারের পোস্টের আগেও একাধিক পোস্ট দিয়েছেন তসলিমা নাসরিন। কিছু পোস্ট মুছে দিয়ে পুনরায় পোস্ট করেছেন। তাঁর পোস্ট ধরে অন্যরা বিভিন্ন মন্তব্য বা নতুন করে পোস্ট দিচ্ছেন। গত শুক্রবার এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আপাতত বেঁচে তো আছি। এ–ইবা কম কিসে!’
তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, ‘লাখ লাখ টাকা দিয়ে হাসপাতাল থেকে পঙ্গুত্ব কিনে তিনি বাড়ি ফিরেছেন। হোঁচট খেয়ে পড়ে হাঁটুতে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, চিকিৎসকেরা ঠিকমতো পরীক্ষা–নিরীক্ষা না করেই একটি এক্স–রের ভিত্তিতে বলে দিয়েছিলেন তাঁর হিপ ভেঙেছে, হিপ রিপ্লেসমেন্ট করতে হবে।’
