রাজধানীতে যানজটের কথা সবারই জানা। বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে তীব্র যানজট ছিল। মধ্যরাত থেকে সৃষ্টি হওয়া যানজট বিমানবন্দর এলাকা ছাড়িয়ে রাজধানীর মহাখালী, রামপুর এবং মিরপুর সড়কে কালশী পর্যন্ত পৌঁছায়। ফলে ওই সব সড়কে চলাচলকারীরা পড়েন বিপাকে। আর এই যানজটের কবলে শুটিং বাতিল করতে হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘মা-বাবা ভাই বোন’ ইউনিটকে।
আজ সকাল ৭টা থেকে রাজধানীর উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে নাটকটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকাল এগারটার পরও শিল্পীরা বিভিন্ন রাস্তায় জ্যামে আটকে থাকায় শুটিংটি বাতিল করতে বাধ্য হন পরিচালক হাসান রেজাউল।
শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার কথা ছিল জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া, শহীদুজ্জামান সেলিম, সাবেরী আলম, মিলি বাশার, মাসুম বাশার, সারিকা সাবা, আবু হুরায়রা তানভীর, নাবিলা ইসলাম প্রমুখের। কিন্তু কল টাইমের ৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও জ্যামের কারণে কেউ লোকেশনে পৌঁছাতে পারেননি। ফলে শুটিং বাতিল করতে হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শবনম ফারিয়া এবং হাসান রেজাউল।
শবনম ফারিয়া বলেন, ‘আজকে আমাদের যে পর্বের শুটিং ছিল সেটার জন্য সবার আলাদা প্রস্তুতি ছিল। এর জন্য সবাইকে অনেক পরিকল্পনা করতে হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা এতজন শিল্পীর ডেট একসঙ্গে মেলানো খুবই কঠিন ব্যাপার। এভাবে শুটিং বাতিল হওয়া সবার জন্য বেশ হতাশার।’
পরিচালক হাসান রেজাউল বলেন, ‘আজকে ছিল ধারাবাহিকটির শেষ দিকের শুটিং। সবার আগামী দুই দিনের ডেটও নেওয়া ছিল। কিন্তু জ্যামের কারণে সব ভেস্তে গেল। কল টাইমের ৪ ঘণ্টা পরও যখন সবাই একেকজন একেক রাস্তায় আটকে ছিলেন, তখন বাধ্য হয়েই শুটিং বাতিল করতে হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক।’
এই নির্মাতা আরও জানান, নাটকের শুটিংয়ের ডেট নেওয়ার থাকলে শুটিং হোক না হোক কিছু খরচ হবেই। আজকে আমাদের প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হলো। আগামী দুই দিনসহ ধরলে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার ক্ষতি। প্রসিউসার আর্থিকভাবে এই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। শিল্পী কলা-কুশলী সবারই ক্ষতি হয়েছে।
অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, আজ আমাদের যে পর্বের শুটিং ছিল সেটার জন্য সবারই পৃথক প্রস্তুতি ছিল। সবাইকে অনেক পরিকল্পনা করতে হয়েছে। এর থেকেও বড় কথা শিল্পীদের সঙ্গে সময় মেলানো খুবই কঠিন। এভাবে শুটিং বাতিল হলে খুবই হতাশার।
