ছয় দিন পর পরীমণিকে নিয়ে মুখ খুললেন শরিফুল রাজ

এক সপ্তাহ ধরে পরীমণি-রাজের দাম্পত্য কলহে সরগরম সামাজিক মাধ্যম। এই সময়ে ক্ষণে ক্ষণেই রঙ পাল্টেছে তাদের সম্পর্কের ভাঙা-গড়ার খবর। কয়েকবার বিচ্ছেদ ও মিলে যাওয়ার তথ্য দেওয়ার এক পর্যায়ে রাজের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ আনেন পরীমণি। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। রাজ জানালেন, সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছিল তার।

ফেসবুকে একাধিকবার পরিমণি অভিযোগ তুলেছেন, তার গায়ে হাত তোলেন রাজ। এ প্রসঙ্গে রাজ বলেন, ‘কেউই ধোয়া তুলসি পাতা নয়, সহ্যের একটা সীমা আছে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ সামনে আগাতে চায়। এতটুকুই বললাম, আপনারা এখন বুঝে নেন।’

এর আগে রাজকে ডিভোর্স লেটার পাঠাবেন বলে জানিয়েছিলেন পরী। বিষয়টি নিয়ে রাজ বলেন, ‘পরীমণি সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে সরাসরি আমাকে কিছুই বলেনি, স্ট্যাটাস দিয়ে জাতিকে বলেছে। বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত আমি কিছুই জানি না। আমার সঙ্গে এ ব্যাপারে কোনো কথাও হয়নি। বাইরে বাইরে শুনছি, ফেসবুকে দেখছি।’

পরীমণি-রাজের দাম্পত্য কলহের নাটকীয়তা ক্ষণে ক্ষণে রঙ বদলে এখন দুর্ভেদ্য এক রঙ ধারণ করেছে। এ রঙের নাম বা রহস্যভেদ করতে হিমশিম খাচ্ছেন নেটিজেনরা। সেইসঙ্গে এ তারকা দম্পতির ওপর অনেকেই এখন বিরক্ত। শেষ খবর অনুযায়ী একসঙ্গেই আছেন পরী-রাজ। সন্তান রাজ্যকে নিয়ে একসঙ্গে ভবিষ্যৎ সাজানোর পরিকল্পনা তাদের।

রাজ-পরীর সংসার বিষয়ক জটিলতা প্রকাশ্যে আসে ২০২২ সালে শেষ দিন। তবে তা ছিল পরীর দিক থেকে। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে পরীমণি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, ‘হ্যাপি থার্টি ফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে।’

এরপর পরীমণি ফেসবুক স্ট্যাটাসে রক্তাক্ত বিছানার দাগের ছবি পোস্ট করেন এবং তার গায়ে হাত তোলার মতো অভিযোগ আনেন স্বামী রাজের বিরুদ্ধে। তারপর রাজ-পরী দু’জন পৃথক সময়ে সংবাদমাধ্যমে আলাপকালে বিচ্ছেদের কথা বললেও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *