সুলতানা একজন মাদক পাচারকারী হিসেবে কয়েক বছর ধরে মাদক চোরাচালান নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত। প্রচুর অর্থসম্পদ গড়লেও তাকে হারাতে হয়েছে কাছের মানুষ, সম্পর্ক, বিশ্বাস ও আশা। এ কাজে পালানোর কোনো পথ নেই, তবে সুলতানা স্বপ্ন দেখে। এমনই টান টান উত্তেজনা নিয়ে এগিয়ে যায় গল্প। এই গল্প ‘গুটি’ সিরিজের।
‘গুটি’তে সুলতানার চরিত্রে অভিনয় করেছেন আজমেরী হক বাঁধন। ৭ পর্বের সিরিজটি চরকিতে পায় গতকাল। এদিন সকালে আগারগাঁওয়ের ফিল্ম আর্কাইভে ‘গুটি’র প্রেস শো অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বেশ প্রশংসিত হয় ‘গুটি’। বিশেষ করে বাঁধনের দুর্দান্ত অভিনয় নজর কাড়ে সবার।
সিরিজটি নিয়ে বাঁধন বলেন, গল্পটা পরিচালক শঙ্খ খুব দুর্দান্তভাবে সাজিয়েছেন। একদম ভিন্ন প্লট, ভিন্ন চরিত্র, ভিন্ন ধরনের একটা গল্প ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন। এখানে আমি সুলতানা নামের এক মাদক পাচারকারীর চরিত্র করেছি। চরিত্রটা নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে আলাপ করেছি। চরিত্রটা অনেক দিন নিজের মধ্যে ধারণ করছি। সিরিজের অভিনয়শিল্পী নির্বাচন কিন্তু খুব ইন্টারেস্টিং।
বাঁধন আরও বলেন, বাংলাদেশে নারীপ্রধান কাজ চলে না, কথাটা শুনতে চাই না। আমি বিশ্বাস করি, আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে ধারণাটির পরিবর্তন হবে। আমরা আমাদের কাজ দিয়েই এই চিন্তার পরিবর্তন করতে পারবো। দর্শককেও নতুন কিছু দিতে পারবো।
সংবাদমাধ্যমকে এই অভিনেত্রী বলেন, আমাকে বেশির ভাগ মানুষই পছন্দ করেন না। এটা শুধু মিডিয়া নয়, মিডিয়ার বাইরেও। আবার যারা পছন্দ করেন তারা একেবারে মন থেকে করেন। তো সেটা আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। আমি এটাই ফিল করতে চাই। কে পছন্দ করল আর কে করল না, তা নিয়ে ভাবতে চাই না।
হিন্দি সিনেমায় যখন কাজের অফার এলো তখন কী ভেবেছিলেন?, জানতে চাইলে বাঁধন বলেন, আমি সত্যিই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে, হিন্দি সিনেমা ‘খুফিয়া’তে আমাকে কাষ্ট করবে। কান-এ অনুরাগ কশ্যপের সঙ্গে আগের দিন দেখা হলো। পরের দিনই আমাকে জেরেমি টেক্সট করেছে যে, অনুরাগ তোমার সেল নম্বর চেয়েছে। এরপর অনুরাগ আমাকে টেক্সট করে জানায়, বিশাল ভরদ্বাজের ফিল্মের জন্য আমার অডিশন হবে। আমি টেক্সট দেখে বারবার পড়তেছিলাম। অবাক হয়ে অন্যদেরও টেক্সটা দেখাচ্ছিলাম। আসলে আমি তখন সবকিছু বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। এরপর কান থেকে বাংলাদেশে আসার পর বিশালের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা হলো। অডিশনের জন্য রিহার্সেল হলো। এরপর তো কাজটি করলাম।
