বিছানার ওই রক্ত রাজের ছিল, পরীমণির না: বাড়ির ম্যানেজার

গত বছরের শেষ প্রান্তে এসে রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের আভাস দেন পরীমণি। সামাজিক মাধ্যমে কয়েক দফা পোস্টের পর রক্তমাখা বালিশ- চাদরের ছবি দেন তিনি। ছবিটি দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন রাজ মেরে রক্তাক্ত করেছেন পরীকে। কিন্তু এবার জানা গেল আসল ঘটনা। আসলে ওই রক্ত রাজের ছিল, পরীমণির না। সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য দিয়েছেন রাজ যে বাড়ি থাকেন তার ম্যানেজার।

সেদিনের ওই রক্ত পরীমণির না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অ্যাকুয়ারিয়াম রাখতে গিয়ে রক্তারক্তি হয়েছে। রাজ নিজেই অ্যাকুয়ারিয়াম সরাচ্ছিলেন। সেটি পড়ে ভেঙে রাজের হাত কেটে গেছে। ওই সময় রাজ্যও তো পাশে ছিল। এর বাইরে আমি কিছু বলতে পারব না।’

এ সময় মধ্যবয়স্ক ওই ম্যানেজারের কাছে আরও বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলে রেগে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এত কিছু বলতে পারব না। এটা বলা কি আমার দায়িত্ব? একটু শান্ত হয়ে আবার তিনি বলেন, ‘ফ্ল্যাটগুলো দেখভাল করছি অনেক দিন। প্রতিদিনই তাদের (রাজ-পরী) সঙ্গে দেখা হয়।’

রাজ-পরীর মাঝে কী এমন হয়েছে— এর উত্তর খুঁজছেন অনেকেই। ওই মধ্যবয়সীও হাতড়াচ্ছেন এই উত্তর। তিনি বলেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই যেমন ঝগড়া হয়, এটি তেমনই। অনেক মিলতালও দেখি তাদের মধ্যে। হঠাৎ করে কী যে হলো, বুঝতে পারলাম না!’

রাজ-পরীমণির বসুন্ধরার বাসার সামনে আজকাল বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। মুখে কুলুপ এঁটে রখেছেন নিরাপত্তা প্রহরীরা। বাসার সামনে অচেনা কাউকে দেখলেই এড়িয়ে চলছেন তারা।

সাংসারিক গোলযোগ নিয়ে খুব একটা বাক্য খরচ করেননি রাজ। স্ত্রী পরীমণি যখন তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে তুলকালাম শুরু করেন তখন তিনি শুধু বলেছিলেন, ‘মাই বেডরুম ইজ প্রাইভেট, ভেরি প্রাইভেট। নট ফর পাবলিক। বাট আমার বেডরুম নিয়ে সবাই মজা নিচ্ছে এখন। পরী এখন যা করছে বা তার যা মন চায় করুক। তবে এটুকু স্পষ্ট করি, আমি কোনো ভুল করিনি এবং আমাদের আর এক হওয়া হবে না।’

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণি ও অভিনেতা শরিফুল রাজ। মাত্র সাতদিনের পরিচয়ে তারা বিয়ে করেছিলেন। ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি সেই খবর প্রকাশ্যে আনেন তারা। একইদিন সন্তানধারণের বার্তাটিও দেন এ দম্পতি। এরপর সে বছরের ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে সারেন। গত ১০ আগস্ট তাদের ঘর আলো করে এসেছে পুত্রসন্তান-শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *