ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের আচরণ সম্পর্কিত নানা অভিযোগ সামনে এনে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পরীমণি। শিগগিরই নাকি তার ঠিকানায় বিচ্ছেদের চিঠি পাঠাবেন এ নায়িকা।
তবে পরীর এমন সিদ্ধান্তে হতবাক রাজ। জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আনা পরীর সব অভিযোগ মিথ্যা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কেন আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সে আনলো, জানি না। আমি রীতিমতো শকড্ আমার বিরুদ্ধে পরীর সব অভিযোগই মিথ্যা।’
ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে সম্পর্কের জের ধরে পরী-রাজের সম্পর্কের ভাঙন ধরেছে। কিছুদিন আগে এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন পরী। জানিয়েছিলেন, মিমের কারণে তার সংসারে অশান্তি হচ্ছে।
রাজ জানান, তিনি কাজের প্রতি যত্নশীল। অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর প্রশ্ন আসে না। তার কথায়, ‘আমি আমার সব কাজের প্রতিই যত্নশীল। সংসারের প্রতি তো আরও যত্নশীল। সংসার, স্ত্রী, সন্তান ফেলে অন্য সম্পর্কে জড়াব—এমন অনৈতিক কথা ভাবতেই পারি না। আমার কথা হলো, যে যাই বলুক, যে কারণেই বলুক, আমি এসব নিয়ে মোটেও বিচলিত নই। কারণ মিথ্যা কখনও স্থায়ী হয় না।’
বুধবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটে রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘটনা জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেন পরী। কেন তিনি এমন স্ট্যাটাস দিয়েছেন—সেই উত্তর জানা নেই তার। রাজ বলেন, ‘পরী কেন ওই স্ট্যাটাস দিয়েছে সেটা পরীই বলতে পারবে, তাকেই প্রশ্ন করুন। আমার বিশ্বাস, সেই সব ক্লিয়ার করবে। আমি শুধু বলব, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই মিথ্যা। বিন্দুমাত্রও সত্যতা নেই।’
ঘরের কথা এভাবে প্রকাশ্যে আনা উচিত হয়নি বলেন রাজ। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত বিষয় কারও কাছে শেয়ার করা পছন্দ করি না। কারণ, আমি আমার ব্যক্তিগত প্রতিটি বিষয়কে সম্মান ও শ্রদ্ধা করি। এখন ব্যক্তিগত বিষয় আরেকজন কীভাবে প্রকাশ করবে, তার ব্যাখ্যা আমি তো দিতে পারব না।’
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমণি ও অভিনেতা শরিফুল রাজ। মাত্র সাতদিনের পরিচয়ে তারা বিয়ে করেছিলেন। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি সেই খবর প্রকাশ্যে আনেন তারা। একইদিন সন্তানধারণের বার্তাটিও দেন এ দম্পতি। এরপর ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে সারেন। গত ১০ আগস্ট তাদের ঘর আলো করে এসেছে পুত্রসন্তান-শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।
