দেশের আলোচিত ইউটিউবার ও অভিনেতা সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী দুই তরুণী। তাদের অভিযোগ, অভিনয়ের সুযোগসহ নানা আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেছেন তিনি। পরে আর যোগাযোগ রাখেন না এই তারকা।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সেই চিত্র। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তরুণী সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, ‘সালমানের সঙ্গে সম্পর্কের একপর্যায়ে একটা সময় সিরিয়াস হয়ে যাই। শারীরিক সম্পর্কে জড়াই। যখন আমি সিরিয়াস তখন সালমান রিলেশনটাকে ইগনোর করছে। অস্বীকার করছে।’
এদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ সত্য নয় দাবি করে বিষয়টিকে স্রেফ অপপ্রচার বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সালমান মুক্তাদির।
সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, সালমান মুক্তাদিরের দাবি, নারীদের প্রতারিত কিংবা অনৈতিক কাজে বাধ্য করার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এছাড়া শারীরিক সম্পর্ক বাধ্য করে হয় না। অন্তত তিনি তা কখনও করেননি।
এ বিষয়ে সালমান মুক্তাদির আরও বলেন, ‘কোনো মেয়ে আমাকে পছন্দ করলে আমি শ্রদ্ধা রেখে তার সঙ্গে মিশি। আর কোনো মেয়ে আমাকে পছন্দ না করলে সম্মান জানিয়ে তার থেকে দূরত্ব বজায় রাখি।’
সালমানের ভাষায়, ‘আমি যতই খারাপ হই কোনো মেয়েকে আমি কখনও অসম্মান বা দুঃখ দেইনি। তাই আমার পরিচিত কোনো মেয়েই এখন পর্যন্ত আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দেয়নি। একটি চক্র আমাকে ফাঁসানোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। আমার নামে মিথ্যা সাক্ষ্য দিচ্ছে। যা পুরোপুরি ভিত্তিহীন।’
ধনী নারীদের ফাঁসানোর বিষয়ে সালমান বলেন, ‘ধনী নারীরা কেন আমার কাছে অভিনয়ের সুযোগ চাইবে? যাদের টাকা আছে, তারা অনেকভাবেই অভিনয়ে আসতে পারে।’
বহুগামিতার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার কাউকে পছন্দ হলে কিংবা কেউ আমাকে পছন্দ করলে আমি অবশ্যই তার সঙ্গে সময় কাটাব। এই বিষয়ে আমি বরাবরই সত্য বলে এসেছি।’ তবে বহুগামিতার প্রচারে তিনি লিপ্ত নন বলে দাবি করেন সালমান। এ জন্য মিডিয়াকেই দুষলেন তিনি।
সবশেষে আক্ষেপ নিয়ে সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘মিথ্যা স্ক্যান্ডালের জন্য আমি বিয়ে করতে পারছি না। আমি বিয়ে করলে, যারা আমার নামে স্ক্যান্ডাল ছড়াচ্ছে তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আমার বিয়ে হচ্ছে না।’
