বুবলীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানাইনি: শাকিব খান

নানা বিতর্কের ভিতর দিয়ে যেতে হচ্ছে ঢালিউড কিং খান শাকিবকে। আর যার পুরোটা জুড়ে রয়েছে তার সাবেক স্ত্রী অপু বিশ্বাস এবং শবনম বুবলী।শাকিব খান প্রথমে অপু বিশ্বাসকে লোকচক্ষুর অন্তরালে রাখেন। এমনকি তাদের বিয়ের বিষয়টিও গোপন রেখেছিলেন। কিন্তু কলকাতায় শাকিব-অপু জুটির বাচ্চা জয় হওয়ার পর সেটা প্রকাশ্যে আসে অপুর মাধ্যমে। স্ত্রী এবং বাচ্চার স্বীকৃতি না দেয়ায় একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ছেলে জয় সহ উপস্থিত হয়ে শাকিবের কথা প্রকাশ্যে আনেন অপু ‍বিশ্বাস।

এরপর আবার প্রায় সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। এবার সামনে আসে শাকিব-বুবলীর বিয়ে এবং সন্তান। শাকিব-অপুর ছেলে আব্রাহাম খান জয়ের জন্মদিনে অপু বিশ্বাসসহ একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন শাকিব খান। আর সেই পোস্টের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের বেবি বাম্পের ছবি পোস্ট করে হইচই ফেলে দেন বুবলী। শুরু হয় ফেসবুক জুড়ে শুরু হয়ে সমালোচনার ঝড়।

এর ঠিক তিনদিন পর শাকিব-অপু যৌথ ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেন তাদের সন্তান শেহজাদ খান বীরকে। পরে ফেসবুকে বুবলী জানান তাদের বিয়ে ২০১৮ সালের ২০ জুলাই হয়। একই সাথে তিনি জানান ছেলে জন্মগ্রহন করে ২১ মার্চ ২০২০ সালে।

এবার নতুন প্রসঙ্গ, বুবলীর জন্মদিন ছিল ২০ নভেম্বর। সেদিন বুবলী সংবাদ মাধ্যমে জানান, শাকিব তার জন্মদিনে ডায়মন্ডের নাকফুল উপহার দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, জন্মদিনের একদিন আগেই তাকে শুভেচ্ছাও জানান কিং খান।

বুবলী বলেন, বিয়ের এই ক’বছর জন্মদিনে সে সবসময় বলে, সবার আগে আমাকে উইশ করবে। এ কারণে একদিন আগেই সে উইশ করে। এবার সেটাই করেছে।

কিন্তু এখানে বাঁধে বিপত্তি। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন শাকিব খান। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, সত্যি কথা বলতে, তাঁর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের যোগাযোগ নেই। উপহার দেওয়া কিংবা উইশ করা, কোনোটাই আমার পক্ষ থেকে হয়নি।

শাকিব বলেন, সন্তানের প্রয়োজনে সে আমাকে বা আমি তাকে লিখলেও তা শুধু শেহজাদকে কেন্দ্র করে যতটুকু দরকার, ততটুকুই হয়, এর বাইরে আর কোনো কিছুর প্রশ্নই আসে না।

তিনি বলেন, ডায়মন্ডের নাকফুল তিনি উপহার পেতেই পারেন। একটা কেন, ১০টাও পেতে পারেন। তার আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবেরা আছেন। তবে সবাইকে আশ্বস্ত করে একটা কথা বলতে চাই, কোনো ধরনের ডায়মন্ড নাকফুল আমি তাকে উপহার দিইনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *