প্রথমার্ধেই অফসাইডে বাতিল আর্জেন্টিনার ৩ গোল

লিওনেল মেসির গোলে ১০ মিনিটেই এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। তবে এরপর থেকে যেন গোলটা রীতিমতো লুকোচুরিই খেলছে আকাশী-সাদাদের সঙ্গে। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের জালে মেসির সেই গোলের পর আরও গুনে গুনে তিন বার বল জড়িয়েছে তার দল। তবে এরপরও প্রথমার্ধ বিরতিতে দলটিকে যেতে হয়েছে ১-০ গোলে এগিয়েই। বাকি তিন গোলই বাতিল হয়েছে অফসাইডের কাটায়।

আইকনিক লুসাইল স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার ৯ম মিনিটে সৌদি আরব ডিফেন্ডার আল বুলায়হি নিজেদের বিপদসীমায় ফেলে দেন লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে। ভিএআর দেখে এসে পেনাল্টি দেন রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোলটা করতে এবার ভুল করেননি মেসি। গোলরক্ষককে ভুল পথে পাঠিয়ে গোলটা তুলে নেন অধিনায়ক। ২০২২ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম গোলটা পেয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

গোল হজম করে স্কালোনির শিষ্যদের চেপে ধরে সৌদি। ১৩ থেকে ১৬ মিনিটের মাথায় ব্যাক টু ব্যাক বেশকিছু আক্রমণ চালালেও গোছানো আক্রমণের অভাবে জালের দেখা মেলেনি কোনবারই।

১৯ থেকে ২২ মিনিটের মাথায় সৌদিদের বক্সে টানা আক্রমণ চালায় আর্জেন্টিনা। ২১ মিনিটের মাথায় পাপু গোমেস শট নেন সৌদির গোলবারে। শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে সুযোগ হাতছাড়া হয় আকাশী নীলদের।

২৩ তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে পাওয়া পাস ধরে একাই ডি বক্সে ঢুকে যান মেসি। তিন ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে কাটিয়ে জালের ঠিকানা খুঁজে নিলেও অফ সাইডের কারণে বাতিল হয় গোলটি।

২৮ মিনিটের মাথায় ফের অফসাইডের ফাঁদে পড়ে গোল বাতিল হয় আর্জেন্টিনার। ডি বক্সের কাছাকাছি বল পেয়ে যান লাউতারো মার্তিনেসে। সেই বল টেনে নিয়ে একক নৈপুণ্যে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ড। আরও একবার অফসাইডের ফাঁদে পড়ে বাতিল হয় এই গোলটিও।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠ থেকে মেসির দেয়া পাস ধরে ডি বক্সে ঢুকে যান লাউতারো মার্তিনেস। সেখান থেকে দুর্দান্ত নৈপুণ্যে গোলরক্ষককে ভেলকি দিয়ে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। এটিও কাটা পড়ে অফসাইডের ফাঁদে।

এরপর প্রথমার্ধের বাকিটা সময় চলে আর্জেন্টিনার আক্রমণ। শেষ পর্যন্ত জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি কেউই। যে কারণে ১ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যেতে হয় দুইবারের বিশ্বকাপ জয়ীদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *