একসময় র্যাম্প মডেল হিসেবে টুকটাক কাজ করতেন শরিফুল রাজ। পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্যের স্থিরচিত্রের মডেল হিসেবে কাজ করতেন তিনি। ২০১৬ সালে রেদওয়ান রনির ‘আইসক্রিম’ ছবিতে অভিনয় করে বড় পর্দায় অভিষেক এই রাজের। মুক্তির পর প্রথম ছবিতেই খানিকটা আলোচনায় আসেন এই নবাগত। মাঝে এক বছর অভিনয় করেননি। আবার র্যাম্প, স্থিরচিত্রের মডেলিংয়ে ফিরে যান তিনি।
পরের বছর ২০১৭ সালে তানিম রহমানের ‘ন ডরাই’ ছবিতে অভিনয় করে নতুনভাবে সবার দৃষ্টি কাড়েন এই অভিনেতা। মেধাবী পরিচালকেরাও তাঁর মধ্যে খুঁজে পান নতুন সম্ভাবনা। আর পেছনে ফিরতে হয়নি। পরপর পরিচালক রায়হান রাফির ‘পরান’, মেজবাউর রহমান সুমনের ‘হাওয়া’ সবশেষ গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘গুনিন’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান। মুক্তি পাওয়া ছবি তিনটিতে নিজের জাত চিনিয়েছেন এই অভিনেতা। এছাড়া তার অভিনীত দামাল সিনেমাটিও ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার ছিল ঢাকাই ছবির বর্তমান আলোচিত এই নায়কের জন্মদিন। সন্তানের সঙ্গে প্রথম জন্মদিন এটি তাঁর। জানালেন ১২টা ১ মিনিটে স্ত্রী পরীমণি ও তিন মাসের সন্তান রাজ্যকে নিয়ে বাসায় কেক কেটেছেন রাজ।
একটি সংবাদমাধ্যমকে শরিফুল রাজ বলেন, ‘বিয়ে, সন্তান—এসবের আগে আমি যখন একা ছিলাম, তখন আমার মতো করে আড্ডা মেরে, ফুর্তি করে জন্মদিন উদ্যাপন করেছি। কিন্তু এবার একেবারেই নিজের মতো করে আমরা তিনজন বাসায় জন্মদিনের কেট কেটেছি। বাইরের কাউকে রাখতে চাইনি। নিজের জন্মদিন নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চেয়েছি। এমনকি জন্মদিনের কেক কাটার ছবিও তুলিনি আমরা।’
বউ ও সন্তানের সঙ্গে প্রথম জন্মদিন উদ্যাপনের দিনে নিজেকে সৌভাগ্যবানও বললেন আবার দুর্ভাগ্যবানও বললেন রাজ। বোঝা গেল কথার মধ্যে কোথাও যেন একটু দুঃখবোধও কাজ করছে এই অভিনেতার।
এ প্রসঙ্গে রাজ বলেন, ‘আমার আর্থিক অবস্থাটা যদি আরও ভালো থাকত, তাহলে আমার সংসার, আমার স্ত্রী, সন্তানকে আরও বেশি সময় দিতে পারতাম, কেয়ার নিতে পারতাম। এখন আমাকে শুটিংয়ে যেতে হয়, কাজে যেতে হয়। এসবের ফাঁকে ফাঁকে পরিবারকে সময় দিতে হয়। আমি যদি পুরো সময়টাই পরিবারকে দিতে পারতাম, তাহলে আমার ভালো লাগত। এ কারণে দুর্ভাগ্যের কথা বললাম।’
