আকবর ভাইয়ের মেয়েটার জন্য খারাপ লাগছে: জায়েদ খান

‘আব্বু আমার কপালে চুমু দিয়ে বলে, এটাই শেষ দিয়ে গেলাম। আর কোনোদিন দেব না। আমি মনে হয় বাঁচব না। তোদের রাস্তায় ভাসিয়ে দিয়ে গেলাম। আমাকে মাফ করে দিস।’

কথাগুলো বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন আকবরের একমাত্র কন্যা অথৈ। বাবাকে হারিয়ে ছোট মেয়েটির আহাজারি যেন থামছেই না।

গায়ক আকবরের মৃত্যুতে শোবিজের অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। চিত্রনায়ক জায়েদ খান তার সঙ্গে তোলা একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লিখেছেন, মৃত্যু নিশ্চিত। গায়ক আকবর ভাই অনেক চেষ্টা করেছেন বেঁচে থাকার জন্য। কিন্তু আল্লাহতায়ালা সবকিছুই নির্ধারণ করে রেখেছেন। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুন।

আকবরকন্যার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে তিনি লেখেন, আকবর ভাইয়ের বাচ্চা মেয়েটার জন্য অনেক খারাপ লাগছে।

গত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ঢাকার বেটার লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন আকবর। সেখান থেকে ১৯ অক্টোবর তাকে বাসায় নেওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় তাকে বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে হাসপাতালটির আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান আকবর।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে যশোর এমএম কলেজের একটি অনুষ্ঠানে গান গেয়েছিলেন আকবর। সেই গান শুনে মুগ্ধ হয়ে বাগেরহাটের এক ব্যক্তি হানিফ সংকেতের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে চিঠি লিখে এই গায়কের কথা জানান। এরপর ‘ইত্যাদি’ কর্তৃপক্ষ আকবরের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

ওই বছর ‘ইত্যাদিতে’ কিশোর কুমারের ‘একদিন পাখি উড়ে’ গানটি আলোচনায় নিয়ে আসে আকবরকে। পরে প্রথম মৌলিক গান ‘তোমার হাতপাখার বাতাসে’ তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দেয় আকবরকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *