হানিফ সংকেত। ‘ইত্যাদি’ ছাড়াও ব্যক্তি হানিফ সংকেত আমজনতার কাছে পরম আস্থার একটি নাম। গতকাল ছিল হানিফ সংকেতের জন্মদিন। ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
বিশেষ এ দিনটিতে শুভ কামনায় ভাসছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেসহ সব মাধ্যমেই ভক্ত ও শুভকাঙ্খীরা তাকে শুভ কামনা জানাচ্ছেন।
হানিফ সংকেত মানেই আজ দেশের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের প্রতিচ্ছবি। এ মানুষটিকে ছাড়া ম্যাগাজিন ইত্যাদির একটি দৃশ্যও কল্পনা করা মুশকিল। হয়তো অনেক দৃশ্যেই সশরীরে হানিফ সংকেত থাকেন না, কিন্তু নিয়মিত দর্শক ভালো করেই জানে, দৃশ্যটার নেপথ্যে আছে একটা পরিণত মস্তিষ্ক। সেই মস্তিষ্ক থেকেই বের হয় ছন্দোময় সব সংলাপ।
দর্শক যতক্ষণ ‘ইত্যাদি’ দেখে, আদতে ততক্ষণ তারা হানিফ সংকেতকেই দেখে। এ কারণেই ‘ইত্যাদি’ আর হানিফ সংকেত একে অন্যের পরিপূরক। গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের টিভিতে কত ধরনের অনুষ্ঠান এল-গেল, ‘ইত্যাদি’ ঠিকই রয়ে গেল। নিজের আলাদা স্টাইল তৈরি করে হানিফ সংকেত ঠিকই রাজত্ব করে যাচ্ছে
জন্মদিনে ভক্তদের ভালোবাসায় মুগ্ধ এই কিংবদন্তি। এমন মূহুর্তে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি, দোয়া চেয়েছেন নন্দিত এই তারকা।
সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে হানিফ সংকেত লেখেন, ‘যতদিন বাঁচি, বাঁচি যেন ভালোবাসা নিয়ে, বাঁচি যেন হৃদয়ের উত্তাপ বিলিয়ে। আপনাদের ব্যস্ততম জীবনে আমার এই জন্ম তারিখটি মনে রেখে যারা আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন-সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা। আপনাদের এই অকৃত্রিম ভালোবাসাই আমার চলার পথের পাথেয়। ‘
ওই পোস্টে যোগ করে হানিফ সংকেত আরো লেখেন, ‘দোয়া করবেন। ভালো থাকবেন সবাই।’
