একটি গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন সাব্বির

দীর্ঘ দিন পর এশিয়া কাপ দিয়ে জাতীয় দলে ফিরেছিলেন ক্রিকেটার সাব্বির রহমান। আশানুরূপ পারফরম্যান্স না করলেও বাকিদের ব্যর্থতায় খুলে যায় তার জাতীয় দলের দরজা। পরে অবশ্য পারফর্ম করতে না পারায় বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল থেকে বাদ পড়েন তিনি।

রোববার (১৬ অক্টোবর) দেশের একটি গণমাধ্যম জানায়, জাতীয় দলে ফিরতে সাব্বির পেছনের দরজার আশ্রয় নিয়েছিলেন। বিসিবির এক পরিচালকের লবিংয়ে জাতীয় দলে ফিরেছিলেন তিনি। সেদিন রাতেই ফেসবুক লাইভে এসে এসব অভিযোগ অস্বীকার করলেন তিনি। সেই সঙ্গে মিথ্যা সংবাদ প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে বিপক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান এই ডানহাতি ব্যাটার।

রোববার রাত সাড়ে নয়টায় লাইভে এসে দাবি করেন, গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরটি ভিত্তিহীন। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ও এ দলের হয়ে ভালো পারফর্ম করায় তাকে পুনরায় জাতীয় দলে বিবেচনা করেছিলেন নির্বাচকেরা।

সাব্বির আরও বলেন, ‘আমি আশা করব, সাংবাদিক ভাইয়েরা এসব নিউজ করা থেকে বিরত থাকবেন। দেশে তো নিউজের কমতি নেই। বিশ্বকাপ নিয়ে যদি বলি। বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় আমার কোনো ইমোশন নাই। দেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে ভালো খেলার কারণে দলে নিয়েছিল। কিন্তু ৪ ম্যাচে খারাপ করেছি। সেই কারণেই কিন্তু বাদ পড়েছি। এটা নিয়ে আমি অখুশি না। দেশের একটা বড় গণমাধ্যম আমাকে নিয়ে নিউজ করেছে, আমি নাকি তদবির করে জাতীয় দলে ঢুকেছি’।

সাব্বির এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং সাংবাদিকদের তথ্য নিয়ে তারপর সংবাদ প্রচারের পরামর্শ দেন। সাব্বির জানান, ‘সংবাদ পরিবেশনের আগে তথ্য নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটার সঙ্গে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনও জড়িত থাকে। এটা আমার প্রতি ব্যক্তিগত আক্রমণ। আমার পরিবারের প্রতি আক্রমণ। আমি যদি ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে লবিং করে দলে ঢুকতাম, তবে তো তিন বছর আগেই ঢুকতে পারতাম। তিন বছর দলের বাইরে থাকতাম না।ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ভালো খেলেছি, এ দলের হয়ে ভালো খেলেছি, তাই জাতীয় দলে ডাক পেয়েছি তিন বছর পর। এ সব কথা অযৌক্তিক’।

সেই সঙ্গে লাইভে সাব্বির তার প্রতি ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও হুমকি দেন। তিনি বলেন, ‘আমি এতদিন কিছু বলিনি, কোন লাইভ করিনি, কিন্তু এটা সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়েছি আপনাদের সামনে আসার। এটা আসলে আমার জন্যই শুধু নয়, কোন খেলোয়াড়ের জন্যই গ্রহণযোগ্য নয়। এটা আমার পেশাগত জীবনের বাইরে। আমি কোন অন্যায় করিনি বা দেশের কোন বিরোধিতাও করিনি। আমার একটা মানসম্মান আছে, আমার পরিবারের মানসম্মান আছে। দিনশেষে আমার পরিবার এসব দেখে। তারা কষ্ট পায়। আমি এটার ব্যবস্থা নেব’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *