মধুমিতাকে মদনের বাহুডোরে দেখে যা বলছে নেটিজেনরা

অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের পরনে গোলাপী রঙের ক্রপ টপ। চোখে-মুখে স্মিত হাসি। তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে আছেন পশ্চিমবঙ্গের কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। একটি পূজার প্যান্ডেলে এমন লুকে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তারা। মদন মিত্র তার ফেমবুকে ছবিটি পোস্ট করেছেন।

এ ছবি নিয়ে নেটিজেনদের নোংরা মন্তব্যের শিকার হয়েছেন স্টার জলসায় প্রচারিত ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ ধারাবাহিকে ‘পাখি’ চরিত্র রূপায়নকারী মধুমিতা ও মদন মিত্র। প্রেম অংশু নামে একজন লিখেছেন, ‘মধুকে পেয়ে আজ দাদা গর্ভবতী!’

সাহেব লিখেছেন, ‘ইডি ডাকলে শরীর খারাপ। আর পাখি ডাকলে রোমান্টিক।’ মণীষ চৌধুরী লিখেছেন, ‘ভাত খাওয়ার বয়সে বিরিয়ানি খাচ্ছে কাকা।’

সুমন শাহ সেনগুপ্ত লিখেছেন, ‘অসাধারণ দাদা, এই বয়সেও কীভাবে পাখি ধরতে হয়; তোমাকে দেখে শিখলাম।’ একজন লিখেছেন, ‘আরে বাহ! এই বয়সেও ঠাকুরদা পাখি ধরছেন!’ আবার কেউ কেউ মধুমিতার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে লিখেছেন, ‘মা দুর্গার ত্রিশুল দিয়ে একটা খোঁচা মেরে জাগিয়ে দিক মধুকে!’ তা ছাড়াও অসংখ্য মন্তব্য শোভা পাচ্ছে কমেন্ট বক্সে, যা প্রকাশের অযোগ্য।

তবে মদন যে মদনই এবারো তার প্রমাণ দিয়েছেন! বরাবরের মতো দিনরাত খোশমেজাজেই রয়েছেন তিনি। নেটিজেনদের এসব মন্তব্যের কোনো জবাব দেননি তিনি।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন মধুমিতা সরকার। ট্রোলিং-এর কথা শুনেই হেসে ফেলেন মধুমিতা। বলেন, আমরা সেলিব্রিটি হিসাবে পুজোতে বিভিন্ন মণ্ডপে উদ্বোধনে যাই, আরও নানান কাছে যাই। গেলে অনেকের সঙ্গে দেখা হয় মদনদার সঙ্গেও সেভাবেই দেখা তেমনই হয়েছ। আমার তো নিজেকে ভাগ্যবান মনে হয় যে মানুষের আমাদের জীবন নিয়ে এত আগ্রহ। আমরা হয়ত কাউকে দেখে এত বেশি এন্টারটেইন হই না, তবে কিছু মানুষজন হন। এটাই ভালোলাগে। (হেসে ফেলে) এটা একটা খুব সাধারণ বিষয়।

তিনি বলে, উনি তো অনেক অভিনেতা, অভিনেত্রীদের সঙ্গেই দেখা হলে কথা বলেন। আমার ওঁর সঙ্গে আগে কখনও দেখা হয়নি। ১২ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি, সেই অর্থে এটাই প্রথম দেখা। মানুষ কিন্তু এটা বলছেন না, এত বছর কাজ করছেন, এতদিনে মদন মিত্রের সঙ্গে দেখা হল!, ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকেই আছেন, একমাস আসতে না আসতেই বিভিন্ন বড় ব্যক্তিত্বের সঙ্গে ছবি তোলা শুরু করে দেন, আমি সেই দলে পড়ি না। ঘটনাচক্রে একটা অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছে। ওটা কামারহাটির একটা পুজো মণ্ডপের ছবি। সেখানে গিয়ে ছবি তোলাটাও একটা সাধারণ বিষয়। এটাতে এত ট্রোলিং-এর কী আছে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *