মন্ত্রীদের বাড়িতে লোডশেডিং নিয়ে যা বললেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

প্রয়োজনে মন্ত্রীদের বাড়িতেও লোডশেডিং করা হোক বলে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সবার বাসাতেই তো লোডশেডিং চলছে, কেউ বাদ যাচ্ছে না।

সরকারি সিদ্ধান্তে বুধবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস শুরুর দিন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা জানান।

প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং দিচ্ছেন, এটা কতদিন চলবে- এ প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, লোডশেডিং আমরা কমাচ্ছি। কালকে রাতে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার চলে আসছে, যেখানে প্রায় ১১ হাজার ছিল। আস্তে আস্তে কমে আসছে।

তিনি বলেন, লোডশেডিং আমরা দিতে বাধ্য হয়েছি। যেহেতু আমাদের জ্বালানি ও গ্যাস শটেজ ছিল। ওই জায়গা থেকে আমরা লোডশেডিং ব্যালান্স করার চেষ্টা করছি। ব্যালান্স করে আমরা সাশ্রয় করতে পারছি।

অফিস সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়ায় সকাল সকাল বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখলাম আগে যে ট্রেন্ড ছিল সকাল ১০টা থেকে চাহিদা বাড়ছে। এখন দেখলাম সকাল ৯টা থেকে বাড়া শুরু করেছে। এই মুহূর্তে ডেসকোর রিকোয়ারমেন্ট প্রায় এক হাজারের (মেগাওয়াট) উপরে চলে গেছে। তার মানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে সিটির ভেতরে ডেসকো এবং ডিপিডিসির পিক আওয়ার থাকে দুপুরে, সেটা কিন্তু পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। এটা আমরা চাইছি যে সন্ধ্যা থেকে পিক আওয়ারটা যদি দিনের বেলায় চলে আসে তাহলে আমরা একটা ব্যালেন্স করতে পারব সন্ধ্যা এবং দিনের বেলা।

আর একটা জিনিস আমরা আজ থেকে নিশ্চিত করতে চাই, মধ্যরাত থেকে সেচ পাম্পের জন্য আগামী ১৫ দিন যেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকে। এটি আমার মনে হয় সম্ভব করে ফেলব। এটা আমি বলতে পারি। দেখা যাক, আগামী একটা সপ্তাহ আমরা দেখি। যদি এটার কার্যকরী বেটার হয় তাহলে অন্তত বিদ্যুতের ব্যালেন্সটা ঠিক করতে পারব, বলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *