‘মান্না। আমার মান্না, আমাদের মান্না, বাংলা চলচ্চিত্রের মান্না, সকলের মান্না। মান্না আমায় ভাবি ডাকতো, আমি মজা করে বিভিন্ন নামে ডাকতাম। মান্না কোন শুটিং সেটে আমার নাম শুনলেই হাজির হতো।
মান্না সুপারস্টার হওয়ার পরেও আমি যদি বলতাম কি সুপারস্টার, মান্না লজ্জায় মুখ লুকাতো। নিজেকে সুপারস্টার বড় নায়ক বা বড়/ভালো অভিনেতা হওয়া সত্বেও তা নিজ মুখে শিকার করতে চাইতেন না।
সালমান, বাপ্পা, শাকিল, আমিন, অমিত, ফেরদৌস এরাও একই। আমি সুপারস্টার বললেই লজ্জা পেত। আর আমার রাজ্জাক ভাইকে সুপারস্টার বললে সে না শুনার ভান করে থাকতো। ২০১৪ সালে তার সাথে শেষ ছবি যখন করি তখনও বলতো অভিনয় টা কি হচ্ছে?
আমি মনে মনে বলতাম কি বলে? সে-যা করবে সেখান থেকেই তো অভিনয় শুরু, সে বলে অভিনয় হচ্ছে কিনা? তাহলে আমি কি বলবো?
আমি নিজেই ৪০+ ছবি করার পরে নায়িকা বললে কেমন যেন মনে হতো। আর অভিনেত্রী বললে এখনো ভয় লাগে। আর এখন ২/৪/৫ টা ছবি করেই নিজেদের সুপারস্টার/নায়ক-নায়িকা বা অভিনেতা-অভিনেত্রী দাবি করে।
এক ছবি করেও সুপারস্টার হওয়া যায় বা ভালো অভিনেতা অভিনেত্রী হওয়া যায় মানুষের মনে থাকা যায়, তবে যারা হয় তারা তা নিজেদের মুখে প্রকাশ করে না।
তোমার বিনয়, ভালোবাসা, কর্ম, দক্ষতা, সময়, একাগ্রতাই তোমায় সুপারস্টার বানাবে, যা মানুষের মুখে-মুখে থাকবে, নিজের বলতে হবে না, সুপারস্টার মেগা সুপারস্টার, মানুষ চেনা, ভালোবাসা তা আল্লাহ প্রদত্ত্ব।’
(অভিনেত্রী নূতনের ফেসবুক থেকে নেওয়া)
