গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা ও অনিয়মের দায়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এখনও সম্পূর্ণ উদ্ধার হয়নি গ্রাহকদের অর্থ ও এ সংক্রান্ত তথ্য।
এরই মধ্যে বিনিয়োগকারী পাওয়া গেছে উল্লেখ করে ফের কার্যক্রম চালু করার জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিন।
আবেদনে বলা হয়, আমরা বিনিয়োগকারী পেয়েছি। ফের নিজেদের ব্যবসা চালু করতে চাই।
চটকদার বিজ্ঞাপন এবং নানান প্রলোভন দিয়ে কম সময়ে আলোচনায় এসেছিল ইভ্যালি। তবে লেনদেনে ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেয় সরকার। বিষয়টি তদন্তে হাইকোর্ট ইভ্যালি বোর্ড গঠন করেন।
অডিট টিমের অনুসন্ধানে ইভ্যালির সম্পদ ও ব্যাংকে থাকা অর্থের তথ্য পাওয়া গেলেও এগুলো গ্রাহকের বিশাল চাহিদার বিপরীতে খুবই সামান্য। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করতে চায় না বোর্ড।
এরই মধ্যে বিনিয়োগকারী পাওয়া গেছে মর্মে হাইকোর্টের কাছে মুচলেকা দিয়েছেন ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল।
এ বিষয়ে হাইকোর্ট গঠিত ইভ্যালি বোর্ড প্রধান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক জানান, রাসেল এবং তার স্ত্রীর পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি আবেদন এসেছে, তারা নাকি আবার বিনিয়োগকারী আনতে পারবে। যদি সত্যি পারেন, তাহলে তো সুখবর। ইনভেস্টর আনলে কোম্পানি চলবে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ অক্টোবর ইভ্যালি পরিচালনার জন্য আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের বোর্ড গঠন করেন হাইকোর্ট।
এর আগে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক গুলশান থানায় ইভ্যালির মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরদিন বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র্যাব। মো. রাসেল বর্তমানে একাধিক মামলায় কারাগারে আছেন। তবে তার স্ত্রী শামীমা নাসরিন জামিনে রয়েছেন।
