দেশের অভিনয় জগতের দাপুটে তারকা মোশাররফ করিম। সিনেমা, টিভি নাটক, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সবখানেই জনপ্রিয়তার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।
সাবলীল অভিনয়ের কারণে দর্শকনন্দিত তিনি। চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তিনি। নাটকসহ বিভিন্ন বিষয়ে সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে কথা বলেছেন খ্যাতিমান এই অভিনেতা।
কেমন আছেন? ঈদের পর তো কলকাতা গিয়েছিলেন, কবে দেশে এলেন?
অনেক ভালো আছি। হুমম…ঈদের পর কলকাতায় গিয়েছিলাম। সঙ্গে জুঁই, ছেলে রায়ানও ছিল। ২১ জুলাই ঢাকায় ফিরে আসি।
কলকাতায় ঘুরতে নাকি কোনো কাজে গিয়েছিলেন?
ব্যক্তিগত কিছু কাজে গিয়েছিলাম। এরই মধ্যে কিছু চেনা মানুষের সঙ্গে দেখা ও আড্ডাও হয়েছে। সুন্দর সময় কেটেছে।
জেনেছি নতুন কিছু কাজ নিয়ে আলোচনা করেছেন সেখানে। মহানগর-২ নিয়ে কি?
আপাতত বলতে চাচ্ছি না। পরে এক এক করে সবই জানতে পারবেন।
‘অমানুষ’ দিয়ে দর্শককে কাঁদিয়েছেন। বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?
সঞ্জয় সমদ্দারের ওয়েব ফিল্ম ‘অমানুষ’। গত ঈদে টিভিতে প্রকাশের পর এই ঈদে আরটিভি প্লাস অ্যাপ ও ইউটিউবে অবমুক্ত হয়েছে। ৯২ মিনিটের ওয়েব ফিল্ম। গল্পটা ভীষণ আবেগী। পাশাপাশি সুন্দর ও অর্থবহ সব ডায়ালগ রয়েছে। মনিরা মিঠু আমার মায়ের চরিত্রে চমৎকার অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনয়ের যত প্রশংসা করি ততই কম হবে।
‘মহানগর’, ‘দৌড়’ দিয়ে ওটিটিতে সাড়া ফেলেছেন। দর্শক প্রশংসা কেমন লাগে?
হইচই থেকে মুক্তি পাওয়া এ দুটি ওয়েব সিরিজই দুই বাংলার মানুষ পছন্দ করেছেন। ভালো কাজে সবাই প্রশংসা করবে, এটাই স্বাভাবিক। সামনে একটি কাজ নিয়ে আলোচনা চলছে, এটা অবশ্য চরকির কাজ।
নাটকে চরিত্রের প্রয়োজনে গান গাইছেন। বহু বছর হলো গান লিখছেন না। কারণ কী?
বহু বছর হলো। সেই ছোটবেলায় লিখেছিলাম। তখন গানের কথাগুলো এমনিতেই মনের চিত্রপটে ধরা দিত। আহা, সেই সময়! তবে দলে থাকলে গান,.l লেখা হতো। এখন তো হতে চায় না। এখন তো মিডিয়ায় ঢুকে ট্যাকার লাগি বন্দি হইয়া গেছি।
কবিতা নিয়ে বই বের করার ইচ্ছা হয় না?
অনেকেই বলে কিন্তু আমার লজ্জা লাগে। অনেক কবিতা লিখেছি এবং কিছু কবিতা পত্র-পত্রিকায়ও ছাপা হয়েছে। তবে আক্ষেপ, আমার কবিতাকে অন্যসব কবিদের লেখা কবিতার মতো মূল্যায়ন করা হয়নি। ‘তারকাদের কবিতা’ শিরোনামে কেন ছাপানো হবে!
জনপ্রিয়তা পাওয়ায় কিছু ওয়েব সিরিজ এখন সিক্যুয়ালও হচ্ছে। শিল্পী হিসেবে এসবে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন?
অনেক কাজ করতে গিয়ে আমি অতৃপ্তও থাকি। সব কাজ যে আমাকে সেটিস; ফাইয়েড করে এমন তো নয়। আমি খুব টেকনিক্যাল উত্তর দিতেও রাজি নয় যে, সব সন্তান আমার কাছে সমান! সব সন্তান তার পিতা-মাতার কাছেও সমান হয় না। সেটা সন্তানের কারণেই হয় না। একেকজনের ধরন তো একেক রকম। আর আমি কখনো আমার কোনো কাজ নিয়ে গলা বড় করে কিছু বলিও না কখনো, এ ধরনের লজ্জা আমার আছে। তারপরও বেশকিছু কাজ করে আমিও সেটিসফাইয়েড।
