একসময় র্যাম্প মডেল হিসেবে টুকটাক কাজ করতেন শরিফুল রাজ। পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্যের স্থিরচিত্রের মডেল হিসেবে কাজ করতেন তিনি। ২০১৬ সালে রেদওয়ান রনির ‘আইসক্রিম’ ছবিতে অভিনয় করে বড় পর্দায় অভিষেক এই রাজের।
মুক্তির পর প্রথম ছবিতেই খানিকটা আলোচনায় আসেন এই নবাগত। মাঝে এক বছর অভিনয় করেননি। আবার র্যাম্প, স্থিরচিত্রের মডেলিংয়ে ফিরে যান তিনি। পরের বছর ২০১৭ সালে তানিম রহমানের ‘ন ডরাই’ ছবিতে অভিনয় করে নতুনভাবে সবার দৃষ্টি কাড়েন এই অভিনেতা।
মেধাবী পরিচালকেরাও তাঁর মধ্যে খুঁজে পান নতুন সম্ভাবনা। আর পেছনে ফিরতে হয়নি। এবারের ঈদে শরিফুল রাজ অভিনীত ‘পরাণ’ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।
সিনেমাটি মুক্তির পর থেকে স্বাভাবিকভাবেই প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শরীফুল রাজ। তারকা হলেও ব্যক্তি জীবন রয়েছে তার। গত বছর অভিনেত্রী পরীমণিকে বিয়ে করে জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করেছেন অভিনেতা। আর এখন দুই থেকে তিন হওয়ার অপেক্ষায় এই তারকা দম্পতি।
এদিকে ব্যক্তি জীবনের প্রিয় মানুষকে ক্যারিয়ারের জন্য গত কয়েকদিনে সময় দিতে পারেননি শরীফুল রাজ। এই কথা সম্প্রতি জানা যায় অভিনেত্রী পরীমণির ফেসবুক স্ট্যাটাসে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শরিফুল রাজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মুক্তকণ্ঠে বলছি, স্ত্রী হিসেবে পরীর চেয়ে বেটার পার্টনার হয়তো আমার জীবনে আসতো না। আমি সত্যি লাকি! মাঝেমধ্যে আমার অবাক লাগে! ও এতোটা গোছালো আমি সত্যি প্রত্যাশা করিনি। এদিক দিয়ে আমার বিপরীত বলতে পারেন। অর্থাৎ আমি যতোটা অগোছালো ও ঠিক ততোটাই গোছালো।
মানুষ হিসেবে পরীমনি কেমন? তিনি বলেন, মানুষ হিসেবেও পরীমনি চমৎকার! বাসায় ও যেমন নায়িকা না, আমিও নায়ক না। বাসায় পরীমনি গৃহিণী। বাংলার ঘরে ঘরে গৃহিণীদের যে চিরায়ত বৈশিষ্ট্য সব ওর মধ্যে রয়েছে। ও যেমন ভালো অভিনেত্রী, ভালো স্ত্রী তেমনি একজন ভালো মনের মানুষ।
তাহলে পরীর রান্নার হাতও দারুণ? শরীফুল রাজ বলেন, অবশ্যই। ও সারাক্ষণ বাসায় রান্না করে। এখন বেবি ক্যারি করায় রেস্টে আছে। তারপরও শরীর ভালো লাগলে বা মনে চাইলে সে আমাদের নিষেধ অমান্য করেও রান্না ঘরে যায়। বিভিন্ন আইটেম নিজেই রান্না করে বাসার সবাইকে খাওয়ায়। বাংলা খাবার ভালো রান্না করে সে। এ ছাড়াও ভেজিটেবল আইটেম, মাছ, মাটন ভালো রান্না করে। তবে স্পেশাল হলো পরীর হাতের বিফ- অসাধারণ!
অনাগত সন্তানের নাম ঠিক করে রেখেছেন কিনা? এ অভিনেতা বলেন, যেহেতু বেবি আসছে। প্রতিটি বাবা-মায়ের এ সময় আলাদা পরিকল্পনা থাকে। আমরাও এর ব্যতিক্রম নই। আমরা দুজনই ভীষণ আপ্লুত, আনন্দিত, বিস্মিত। সময়ের অপেক্ষা মাত্র- আমরা সেই প্রতীক্ষায় দিন গুনছি। তবে নামের ব্যাপারে এখনই কিছু বলতে চাচ্ছি না। কিছু থাকুক নিজেদের মধ্যে, নিজেদের মতো করে।
