সিনেমা নির্মাণের জন্য ২০২১-২২ অর্থবছরের সরকারি অনুদানের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুন) একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তালিকাটি প্রকাশ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। এ বছর ১৯টি সিনেমাকে অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে সুপারস্টার শাকিব খানের একটি সিনেমা। নাম ‘মায়া’। এই সিনেমার জন্য প্রযোজক শাকিব পাচ্ছেন ৬৫ লাখ টাকার অনুদান। এবারই প্রথম প্রযোজক হিসেবে অনুদান পেলেন তিনি। ‘মায়া’ সিনেমাটি পরিচালনা করবেন হিমেল আশরাফ।
এদিকে এ খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, শাকিব খানের মতো সুপারস্টারের কেন সরকারি অনুদান নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করার প্রয়োজন হয়।
নেটিজেনদের একাংশের দাবি, তার এমনিতেই তো অনেক টাকা। প্রত্যেক সিনেমায় তিনি সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা করে পারিশ্রমিক নেন।
এ ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন মায়া সিনেমার পরিচালক হিমেল আশরাফ। তিনি আমেরিকায় থাকেন। শাকিব খানের রাজকুমার সিনেমার বাংলাদেশ অংশের প্রি-প্রডাকশনের কাজ করতে এখন তিনি দেশে রয়েছেন।
হিমেল আশরাফ বলেন, ‘প্রথমত সবাই চান একটা ভালো সিনেমা বানাতে। আর ভালো সিনেমা বানাতে ভালো একটা বাজেটও প্রযোজন হয়। দ্বিতীয়ত, এই বাজারে বেশি বাজেটের সিনেমা বানিয়ে টাকা ফেরত আনা সম্ভব না। তাই এ সময়টাতে যতটা সম্ভব পৃষ্ঠপোষকদের সাহায্যে সিনেমা নির্মাণ করতে পারলে ভালো। সিস্টেম যখন পরিবর্তন হবে, তখন আবার এগুলো লাগবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘শাকিব খানের অনুদান কেন লাগে- এমন কথা আমিও শুনেছি। এর কারণ হলো রিস্ক ফ্যাক্টরটা কমিয়ে আনা। সিনেমার ব্যবসা যখন ভালো হবে, তখন আর অনুদান লাগবে না।’
মায়া সিনেমার জন্য ৬৫ লাখ টাকা পাবেন শাকিব খান। হিমেল জানান, রোমান্টিক-ড্রামা ঘরানার সিনেমা হবে মায়া। এর সঙ্গে থাকবে পিরিওডিক ব্যাপারও। চলতি বছরেই সিনেমার শুটিং শুরু করতে চান পরিচালক। পুরো কাজ হবে বাংলাদেশেই।
হিমেল বলেন, ‘সিনেমায় শাকিব খান থাকবেন, তবে তার বিপরীতে কে থাকবেন তা এখনও চূড়ান্ত করে বলতে পারছি না। আমাদের চেষ্টা থাকবে যত দ্রুত কাজটা করে ফেলা যায়।’
