পর্যাপ্ত মানসম্মত সিনেমার অভাবে দেশের সিনেমা হলগুলো টিকে থাকতে পারছে না। একের পর এক সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেছে। চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির তথ্যমতে, মাত্র ৬২টি সচল সিনেমা হল রয়েছে। সেগুলোর অবস্থাও খারাপ।
সিনেমা হল বাঁচিয়ে রাখার শেষ চেষ্টা হিসেবে ভারতীয় সিনেমা আমদানির অনুমতি চেয়েছেন প্রদর্শক সমিতির নেতারা। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় তাদের কথা ভেবে রাজি হয়েছে। এটা নিয়ে এখন নিয়মিত আলোচনা চলছে। হয়ত শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে।
এদিকে এতদিন শিল্পীরা ভারতীয় ছবি আমদানির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তবে এখন তারা সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। সিনেমা হল বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে শিল্পীরা এই ছাড় দিতে রাজি।
এ নিয়ে মঙ্গলবার রাতে মুক্তিপ্রতীক্ষিত ‘তালাশ’ সিনেমার সংবাদ সম্মেলনে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘আমরা ছবির সংখ্যা বাড়াতে পারিনি। তাই ভারতীয় ছবি আমদানির প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। একটা সময় বেঁধে দিয়ে আমদানির অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। সিনেমা আমদানির মাধ্যমে যদি বন্ধ সিনেমা হল খুলতে পারি, তাহলে এর মাধ্যমে বেনিফিট হতে পারে বলে মনে করি। চলচ্চিত্র নিয়ে আমাদের নিজেদের ভাবতে হবে। সরকার সবকিছু করে দেবে না। যদি আমরা সবাই এক সুরে কথা বলি, তাহলে সরকার কিছু করবে। সেজন্য সবাইকে এক হতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিনেমা হলগুলো চালু না রাখলে ব্যবসা হবে না। আর ব্যবসা না করলে প্রযোজক আরেকটা ছবি বানাতে পারবেন না। কারণ একটি সিনেমা বানাতে অনেক টাকা লগ্নি করতে হয়। আমি সেই ছবিতে কাজ করলাম কি না, সেটা বড় কথা না। আমি চাই বেশি বেশি সিনেমা নির্মিত হোক। শিল্পীরা যেন কাজ করতে পারেন, সেই চেষ্টা আমি করে যাচ্ছি।’
