রোববার রাতে শিল্পী সমিতিতে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন ওমর সানী।
অভিযোগের বিষয়, ‘জায়েদ খান দ্বারা আমার সংসার ভাঙা এবং আমাকে পিস্তল বের করে মেরে ফেলার হুমকি প্রসঙ্গে।’
যেখানে ওমর সানী দাবি করেন, এমন একজন পি;স্তলধারী স’ন্ত্রাসী বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য থাকতে পারে না। জায়েদ খানের বিরুদ্ধে যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
সোমবার রাতে শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন জানান, তিনি চিঠি হাতে পেয়েছেন।
এ অভিযোগ নিয়ে শিল্পী সমিতি কী প্রক্রিয়ায় এগোবে জানতে চাইলে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘নানা রকমের চিঠি আসে আমাদের কাছে। কখনও অসুস্থতার চিঠি আসে, কখনও অভিযোগ জানিয়ে চিঠি আসে। আমরা এগুলো জমা রাখি এবং সভায় সবার সামনে উত্থাপন করি।’
ওমর সানীর অভিযোগটিও তেমন প্রক্রিয়াতেই দেখা হবে বলে জানান সমিতির সভাপতি। আগামী সভায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে কথা হবে বলে জানান ইলিয়াস কাঞ্চন।
তিনি বলেন, ‘সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী সদস্যরা মিলে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’
সভা কবে হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি ইলিয়াস কাঞ্চন। জানান, অল্প কিছুদিন আগেই একটি সভা হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১০ জুন) খল অভিনেতা ডিপজলের বড় ছেলের বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় অংশ নেন ওমর সানী। সেখানে তিনি জায়েদ খানকে চড় মেরেছেন বলে দাবি করেছেন। বিপরীতে জায়েদ তাকে পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দিয়েছে। এরপর শিল্পী সমিতিতে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সানী।
যদিও ওমর সানীর অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন জায়েদ খান। এমনকি চড়-পিস্তলের ঘটনাও সত্য নয় বলে তার দাবি।
এরপর সোমবার (১৩ জুন) মৌসুমী নিজেও মুখ খুলেছেন। তিনি স্বামী ওমর সানী নয়, বরং জায়েদ খানের পক্ষ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। ফলে নেটিজেনদের মনে তাদের সংসার ভাঙার শঙ্কা আরও প্রবল হয়েছে। তবুও ভক্তদের প্রত্যাশা, সাময়িক অভিমান-ভুল বোঝাবুঝি ভুলে পুনরায় সুন্দর-শান্তিপূর্ণ সংসারে ফিরবেন এই তারকা দম্পতি।
