ছোট পর্দায় নিয়মিত নাটক, ওয়েব ফিল্ম, সিরিজে অভিনয় করলেও এবারই প্রথম সিনেমায় অভিনয় করছেন তাসনিয়া ফারিণ। আর সেটা শুরু হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গন দিয়ে। অনেক প্রস্তাব থাকলেও সিনেমায় কাজ করেননি ফারিণ। মানসম্পন্ন সিনেমা হলে অবশ্যই সিনেমা করতে চান বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
১৯ মে থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে শুটিং শুরু হয়েছে তাসনিয়া ফারিণের প্রথম সিনেমা ‘আরও এক পৃথিবী’ ছবিটির। ছবিটি পরিচালনা করছেন কলকাতার পরিচালক অতনু ঘোষ।
ফারিণের সহশিল্পী আছেন কলকাতার কৌশিক গাঙ্গুলি, অনিন্দিতা ও সাহেব চ্যাটার্জি। শুটিং শেষ করে আগামী মাসে দেশে ফিরবেন ফারিণ।
এরইমধ্যে তার সাফল্যের ঝুলিতে যোগ হলো মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার। ‘তিথীর অসুখ’ ওয়েবে অভিনয়ের জন্য সমালোচকের রায়ে দুই নন্দিত অভিনেত্রী রুমানা রশিদ ঈশিতা ও মেহজাবীন চৌধুরীকে পেছনে ফেলে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন তিনি।
প্রথমবারের মত এ সম্মাননা পাওয়ায় সংবাদমাধ্যমকে তাসনিয়া ফারিণ বলেন, ‘মেরিল প্রথম আলো ২০২১-এর চূড়ান্ত পর্যায়ে দুটি ক্যাটাগরিতে নমিনেশন পেয়েছিলাম। তারমধ্যে একটা ক্যাটাগরিতে (সমালোচক) পুরস্কার পেয়েছি। এটা আসলে চিন্তাও করিনি। যখন কোনকিছু নিয়ে চিন্তা না করা হয় বা প্রত্যাশা না রাখা হয়, তখন সেটা পেলে তার অনুভূতিটা অনেক বেশি সুখকর হয়। যদিও পুরস্কারটা নিজ হাতে নিতে পারিনি, খুব মন টানছে কখন দেশে যাবো আর পুরস্কারটা হাতে নিয়ে দেখবো। অর্জনের খাতায় নতুন কিছু একটা যোগ হলো, সেদিক থেকে খুবই ভালো লাগছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি কখনও পুরস্কারের আশায় কাজ করিনি আর সামনেও করবো না। আমার সবসময় ফোকাস থাকে কাজের দিকে। কাজ কতটা ভালো করছি, আমার লক্ষ্য কতটা পূরণ করতে পারছি, সেদিকটা দেখি। তবে পুরস্কার অবশ্যই একটা অর্জন, প্রত্যাশা না করে পেলে সেটা অবশ্যই ভালো লাগে।’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচক পুরস্কার ক্যাটাগরি নিয়ে নানারকম মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। অনেকে আপনাকে সাধুবাদ দিচ্ছেন আবার অনেকে বলছেন, সমালোচকে এ পুরস্কারটা মেহজাবীন চৌধুরীর প্রাপ্য ছিলো। এ নিয়ে আপনার মন্তব্য কি বা আপনার কি মনে হয়, এমন প্রশ্নে ফারিণের উত্তর, ‘এসব খুবই হাস্যকর। আমাকে যারা পছন্দ করে তাদের কাছে অবশ্যই ভালো লাগবে, আর যারা পছন্দ করে না তাদের কাছে ভালো লাগবে না। এতে আমার কিছুই যায় আসে না।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কতজনই তো কতকিছু বলে। আমি ওসব দেখি না, মাথায়ও নেই না। একজন মানুষ আসলে সবার পছন্দের হতে পারে না। তাহলে তো পৃথিবীতে এত ধরণের রঙ থাকতো না। একটা মার্কেটে গেলে সবাই একইরকমের জামা-কাপড়ই কিনতো।’
