এখন মিডিয়ার বাহুল্যের যুগ। হাতে হাতে গণমাধ্যম। দর্শক চোখের বিরাম নেই। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে সারাবিশ্বের কন্টেন্ট নিয়ে এখন আমরা নিজেদের কন্টেন্টকে বিচার করি। যথারীতি কেউ কেউ বলেছিলেন, ইত্যাদি কী টিকবে?
অথচ সময়ের সাথে সাথে ইত্যাদির গুণগত মান বেড়েছে। বেড়েছে নান্দনিকতা। আর প্রযুক্তির সময়োপযোগী সংযোজন। দর্শককে না ঠকিয়ে এর রসদ জোগানোটা কঠিন এক অধ্যাবশায়ের কাজ। ইত্যাদি তা করেছে। গত কয়েক বছর ধরে ইত্যাদি ডিজিটাল প্লাটফর্মে পোস্ট হলেই তা ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে ১ নম্বরে থাকে।
ইত্যাদির প্রাণপুরুষ দেশবরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেতকে এর রহস্যের কথা জানতে চাইলে বলেন, ‘দর্শকের সাথে আমি সত্য থাকি। দর্শকদের ভালোবাসাই আমার শক্তি।’
সত্যিই তাই। তবে ভাবনার প্রকার ও প্রকাশ থাকে তার। ঈদ ইত্যাদির ১ ঘণ্টা ১২ মিনিটে ২২টি কন্টেন্ট দেখিয়েছেন নির্মাতা। এই পুরো সময়টাতে একবারের জন্যও মনে হয়নি যে, অনুষ্ঠানে খানিক বিরতির প্রয়োজন। এটিই একজন নির্মাতার স্বার্থকতা।
