ঈদের দিন প্যান্ট-জুতা নিয়ে একা একা কেঁদেছি: জায়েদ খান

সংবাদভিত্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশন ‘চ্যানেল 24’ প্রতি ঈদে দর্শকদের জন্য ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের পসরা সাজায়। এবারও ঈদকে ঘিরে পাঁচ দিনের আয়োজন সাজিয়েছে চ্যানেলটি।

সেই ধারাবাহিকতায় ঈদের তৃতীয় দিন শাহরিন জেবিনের সঞ্চালনায় ঈদ স্পেশাল এন্টারটেইনমেন্ট অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজেদের বিষয়ে কথা বলেন অভিনেতা ডিপজল, অভিনেত্রী মৌসুমী ও অভিনেতা জায়েদ খান।

অনুষ্ঠানে অভিনেতা জায়েদ খান বলেন, আমি গ্রামে বড় হয়েছি। ঢাকা শহর আমার কাছে স্বপ্নের মতো। ঢাকায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বিল্ডিং গুনতাম, জায়গা দেখতাম। একবার ঈদের আগের রাতে রওনা দিলাম; সকালে গিয়ে নামব ও নামাজ পড়ব। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি নদীর চরের মধ্যে লঞ্চ ভেসে আছে। যাচ্ছে না, আটকে গেছে। দেখি সবাই নামাজ পড়তে যাচ্ছে, আর আমি আটকে আছি নদীর মধ্যে। প্যান্ট আর জুতা নিয়ে একা একা কাঁদতেছি আমি। পরে যখন জোয়ার আসলো, লঞ্চ ছাড়লো তখন সন্ধ্যা। ঈদই শেষ হয়ে গেল।

এই অভিনেতা বিয়ের বিষয়ে বলেন, এখন যেহেতু মা-বাবা নেই। আর সত্যি কথা, আমি আমার পছন্দে বিয়ে করব। পছন্দও আছে। ঈদের আমেজ যাক, তারপর ভাইয়া (ডিপজল) আছে, এ নিয়ে আলোচনা করব।

অনুষ্ঠানে ডিপজল ও মৌসুমীর কাছে জানতে চাওয়া হয়— জায়েদ খানের নামের আগে কি বলা যেতে পারে। জবাবে তারা দু’জনই বলেন, ওকে (জায়েদ খান) অলরাউন্ডার বলা যায়।

চাঁদরাতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ডিপজল বলেন, আমার নিজ হাতে মানুষকে লুঙ্গী-কাপড় দিতে ভালো লাগে। আমি অনেক দিয়েছি।

বিপরীতে জায়েদ খান বলেন, আমি তো গ্রামে বড় হয়েছি। আমরা যা করতাম, চাঁদ রাতে বাজি ফুটাতাম, মানুষের গাছ থেকে ডাব চুরি করে দড়ি দিয়ে তা পেরে নিয়ে আসা। আব্বার সঙ্গে বাজারে যাওয়া, ব্যাগ নিয়ে চাল-সেমাই কেনা। এই জিনিসগুলো আমার কাছে খুবই স্মৃতির।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *