চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমনিতেই আলোচনায় আছেন জায়েদ খান। এসবের মধ্যেই বিপত্তিতে আছেন নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি নিয়ে। বারবার তার আইডিকে ‘মৃত’ ঘোষণা করছে ফেসবুক।
সবশেষ ২১ ফেব্রুয়ারিও তার আইডিটিকে রিমেম্বারিং করে দেওয়া হয়। যার মানে হচ্ছে, জায়েদ খান আর বেঁচে নেই। তাই তার আইডিটিকে স্মরণীয় করে দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
এ নিয়ে তিনবার একই ঘটনা ঘটল এ চিত্রনায়কের সঙ্গে। এরআগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ও ২১ জানুয়ারিও জায়েদ খানের আইডি রিমেম্বারিং করে দেওয়া হয়। শুধু জায়েদ খান নয়, সম্প্রতি অভিনেতা শরিফুল রাজ, মিশা সওদাগর, অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ, নায়িকা সুবাহ, হিরো আলমসহ দেশ ও বিদেশের অনেক তারকাই পড়েছেন একই সমস্যায়।
কেন বারবার এমনটা হচ্ছে বা কী কারণে আইডি রিমেম্বারিং করে দেওয়া হয় সে প্রশ্ন ছিল প্রযুক্তিবিদ তানভীর হাসান জোহার কাছে।
তিনি বলেন, এটাকে মূলত স্প্যামিং বলা হয়। ভুয়া রিপোর্ট করে এ কাজটি করা হয়। ফেসবুকের সেটিংসে মেমোরাইজেশন নামে একটি অপশন আছে। সেখানে চাইলে একজনকে আপনি নির্বাচিত করে দিতে পারেন এই অধিকারের জন্য। কিন্তু আমরা সে কাজটা করি না। যার কারণে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। সেখানে কাউকে নির্বাচিত করা না থাকলে বাইরে থেকে রিপোর্ট করে আইডি রিমেম্বারিং করে দেওয়া যায়।
প্রায়ই জীবিত ব্যক্তিকে ‘মৃত’ ঘোষণা করছে ফেসবুক। ফলে বিব্রত হতে হচ্ছে এর ব্যবহারকারীদের। আর ঘনঘন এ সমস্যায় পড়ে অনেক তারকাও এখন হচ্ছেন ট্রলের স্বীকার। নিজের আইডিকে রিমেম্বারিং মুক্ত রাখতে কী করণীয় সে পরামর্শও দিলেন তানভীর জোহা।
তিনি বলেন, এই বিড়ম্বনা থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই কোনো একজকে নির্বাচিত করে দিয়ে রাখতে হবে আইডি রিমেম্বারিং করার জন্য। অথবা চাইলে গুগল থেকেও এটা দেখে নেওয়া যেতে পারে। জায়েদ খানসহ আরো অনেকেরই আইডি সম্প্রতি রিমেম্বারিং হয়ে যাচ্ছে। তার জন্য আমার পরামর্শ থাকবে উনি যদি একবার উনার আইডির মেমোরাইজেশনের জন্য একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে নির্বাচন করে দেন, তাহলে কেউ আর উনার আইডি রিপোর্ট করে রিমেম্বারিং করে দিতে পারবে না।
