২৮ জানুয়ারি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ভোটের দিন অনেক উৎসাহ নিয়ে এফডিসি গিয়েছিলেন অপু বিশ্বাস। সেখানে ভোট দেওয়ার পর অন্য শিল্পীদের সঙ্গে আড্ডায় মেতেছিলেন তিনি।
আড্ডার ছলেই বলেছিলেন, ‘আহ! যদি প্রতিদিনই শিল্পী সমিতির ভোট হতো তাহলে কত না মজা হতো। সবাই মিলে হাসি-ঠাট্টায় দিন কেটে যেত। কোনো ভেদাভেদ নেই, সবাই যেন একটি পরিবার। ’
তবে শেষের কথাগুলো না ফললেও প্রথম কথাটা নাকি ঠিকই মিলেছে অপুর। সেই ২৮ জানুয়ারি থেকে এখনো নাকি শিল্পী সমিতির নির্বাচন চলছে। কী করে?
হাসতে হাসতে অপু বললেন, ‘এখনো তো টানটান উত্তেজনা। একটি পদকে কেন্দ্র করে শিল্পীদের মাঝে চলছে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া। গত সপ্তাহে স্টেজ শো করতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গিয়েছিলাম। বিশ্বাস করবেন না, সেখানেও আমাকে এই নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে হয়েছে। তার মানে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সমিতির নির্বাচন নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই। হায় রে! আমার কথাই সত্যি হলো। এখন তো মনে হচ্ছে প্রতিদিনই নির্বাচন চলছে। ’
অপু বিশ্বাস গতকাল দিনের বেলা আফতাবনগরে ‘প্রেমপ্রীতির বন্ধন’ ছবির শুটিং করেছেন, সেখান থেকে সন্ধ্যায় গিয়ে এফডিসিতে শুটিং করেছেন। এর ফাঁকেই শিল্পী সমিতির নির্বাচন প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে এসব বলেন অপু।
উল্লেখ্য, এবারের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে অনেক বিতর্ক, সমালোচনা হয়েছে, হচ্ছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে মিশাকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন কিংবদন্তি ইলিয়াস কাঞ্চন।
তবে বিপত্তি বেঁধেছে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে। এই পদে প্রাথমিকভাবে জায়েদ খান বিজয়ী হন। কিন্তু পরে নিপুণের অভিযোগের ভিত্তিতে তার প্রার্থীতা বাতিল হয় এবং নিপুণ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যান।
জটিলতা এখানেই শেষ হয়নি। দু’জনেই এখন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাই আদালত থেকেই নির্ধারিত হবে, কে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।
