নুসরাত আমার বন্ধু, আমাদের মধ্যে তুলনা না করাই ভালো: মিমি

মিমি-নুসরাতের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। নায়িকারাও যে ভালো বন্ধু হতে পারেন একাধিকবার তার প্রমাণ দিয়েছেন তারা।

দু’জনই ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছেন মোটামুটি একই সময়ে। আবার রাজনীতিতে হাতেখড়িও একসঙ্গে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে। মিমি চক্রবর্তী এবং নুসরাত জাহানের মিল বিস্তর।

সম্প্রতি ভারতীয় পত্রিকা আনন্দবাজার অনলাইনের লাইভ আড্ডা ‘অজানা কথা’য় স্বভাবতই তুলনা টেনে প্রশ্ন এসেছে দুই নায়িকা-রাজনীতিককে নিয়ে?

জবাবে মিমির ব্যাখ্যা, ‘আমি এবং নুসরাত দু’জন আলাদা মানুষ। আমরা বন্ধু। নুসরাত ওর ব্যক্তি জীবনে কী করবে, সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তার। আমার ক্ষেত্রেও তাই। আমার মনে হয় এই নিরিখে আমাদের তুলনা না করাই ভালো।’

মিমি মনে করেন, তারকা-রাজনীতিক হওয়ায় তার কাঁধে কিছু বাড়তি দায়িত্ব রয়েছে। তাই যেকোনো সিদ্ধান্তই ভেবে চিন্তে নিতে হয়। বয়স, সময় এবং অভিজ্ঞতা তাকে আরও পরিণত করেছে।

পর্দা ও রাজনীতির জগৎ সম্পূর্ণ আলাদা। চ্যালেঞ্জের চরিত্রও অন্য রকম। কীভাবে সামলান সবকিছু? এমন প্রশ্নের জবাবে মিমি বলেন, ‘আমার নিজস্ব কিছু লড়াই আছে। সেগুলো আমার জন্য কেউ লড়ে দেবে না। নিজেই লড়তে হবে।’

তিনি বলেন ‘আমি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খুবই সচেতন। কোনো সমস্যা হলে মনোবিদের কাছেও যাই। আমি জীবনে কী চাই, কী করব আমি জানি। পরিবারের পর আমার কাছে কাজই সব কিছু। যত দিন পারব, নিজের সবটা দিয়ে কাজ করব।’

সিনেমা এবং রাজনীতির বাইরে কেমন তার জীবন? মিমি চক্রবর্তীর কি প্রেম করছেন কিংবা তার জীবনে কি বিশেষ কেউ আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে মিমি বলেন, ‘নো কমেন্টস’।

অর্থাৎ প্রেম-পরিণয়ের বিষয়ে কোনও মন্তব্যই করতে চান না তিনি। নিজের ব্যক্তিগত জীবন প্রচারের বাইরে রাখতে চান এই অভিনেত্রী।

‘বোঝে না সে বোঝে না’ সিনেমার নায়িকা নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে বলেন, ‘আমি সিঙ্গেল। আমি এই জীবনে খুবই খুশি। কিন্তু যদি বলি আমি সিঙ্গেল, মানুষ প্রশ্ন করবেন কেন আমি একা আছি। বিয়ে কেন করছি না। তাই এ বিষয়ে নো কমেন্টস বললাম। তাহলে আর কেউ কোনও কথা বলতে পারবে না। ’

ওই সাক্ষাৎকারে মিমি জানান, একা থাকতে ভালোবাসেন তিনি। কাজের বাইরে বই পড়েন, সিনেমা দেখেন নিয়মিত। এছাড়া পোষ্য প্রাণীদের লালন-পালন করে দিন কেটে যায় এই অভিনেত্রীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *