নানা ঘটনার পর অবশেষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে সাধারণ সম্পাদকের পদ ফিরে পেয়েছেন অভিনেতা জায়েদ খান।
সোমবার তার করা এক রিটে হাইকোর্ট এ আদেশ দেয়। এর পরপরই প্রতিক্রিয়ায় জায়েদ খান বলেন, ‘রায়ে ন্যায়বিচার পেয়েছি। সবাই আমার দিকে, আমি আমার কার্যক্রমগুলো চালিয়ে যাব। সমস্ত মানুষ আমার দিকে তাকিয়ে আছে।’
হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে তিনি আরও বলেন, ‘সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচনে আমি জয়লাভ করেছি। যত অভিযোগ নিপুণ আক্তার করেছে সবগুলো অবৈধ এবং নিজের মতন মনগড়া। শুরুতেই আমাকে মার্ডার কেসের মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। সেটাও একটা চাল ছিল।’
তিনি বলেন, ‘আদালতে ন্যায়বিচার পেয়েছি। আমি রায় পেয়েছি আপিল বোর্ড অবৈধ বলা হয়েছে। আমিই জয়ী সাধারণ সম্পাদক।’
জায়েদ খান আরও যোগ করেন, ‘মহামান্য হাইকোর্টকে ধন্যবাদ। আদালত বলেছেন, আমার কাজে কোনো বাধা নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশের বিচার বিভাগ যে স্বাধীন, তা ফের প্রমাণ হলো। আইনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে।’
আদালতে জায়েদ খানের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আহসানুল করীম ও আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুথী। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মজিবুল হক ভূঁইয়া। নিপুণের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভেকেট রোকনউদ্দিন মাহমুদ।
পরে আহসানুল করীম সাংবাদিকদের বলেন, নিপুণ আক্তারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আপিল বোর্ডকে ২ ফেব্রুয়ারি সমাজসেবা অধিদপ্তরের দেওয়া চিঠির কার্যকারিতা এবং জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে নিপুণকে বিজয়ী ঘোষণা করে আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে সমাজসেবা অধিদপ্তরের চিঠি এবং আপিল বোর্ডের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে এক সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া জায়েদ খানের দায়িত্ব পালনে কোনো প্রকার বাধা না দিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে রুল শুনানির জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন রেখেছেন হাইকোর্ট।
