বিনোদন ডেস্ক- অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলার সূত্র ধরে তিন তারকা তাহসান খান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াকে পুলিশ নজরদারিতে রেখেছে। যেকোনও সময় তাদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি’র রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান। শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
হঠাৎ এমন খবরে অভিযুক্ত তারকারা তো বটেই, তাজ্জব বনে যান বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ। তবে এ মামলা নিয়ে একদমই চিন্তিত নন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া।
এ নিয়ে শনিবার গণমাধ্যমকে অভিনেত্রী বলেন, ‘এ নিয়ে আমার বাসায় বা আমার কাছে কোনো নোটিশ আসেনি এখনও। দেখেন, মামলা হলে নজরদারিতে রাখবে এটাই স্বাভাবিক। আমার ১০০ ভাগ বিশ্বাস আছে পুলিশের ওপর, তারা বেসিকলি ইনভেস্টিগেট করবে, তারা দেখবে যে এটার সঙ্গে একচুয়ালি আমি ইনভলব কিনা। আমি তো এটার সঙ্গে ইনভলব না কোনোভাবেই।’
মামলা নিয়ে চিন্তিত না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে শবনম ফারিয়া বলেন, ‘আমি আসলে এটা নিয়ে চিন্তিত না এই জন্য যে, আমি হান্ড্রেড পার্সেন্ট শিওর এটার সঙ্গে কোনোভাবেই আমি ইনভলব না। এক নম্বর বিষয়, আমি মাত্র আড়াই মাস কাজ করেছি। দুই নম্বর বিষয় হচ্ছে, আমি এটাকে কখনও প্রমোট করিই নাই।’
যুক্তি দিয়ে শবনম ফারিয়া বলেন, ‘যিনি মামলা করেছেন উনি অর্ডার করেছেন মে মাসে আর আমি জয়েন করেছি জুন মাসে। ওই সময়ের সঙ্গে আমার সময়ও মিলছে না। আমি জয়েন করেছি এক মাস পর।’
মামলা মোকাবিলা করার জন্য কোনো পদক্ষেপ শবনম ফারিয়া নিচ্ছেন না। তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান যদি ঝামেলা করে তার জন্য তো ইমপ্লয়ি দায়ী না। তো আমি এটার কী দায় নেব। এ জন্য আমি কোনো স্টেপও নিইনি। আমি যদি কিছু করে থাকতাম আমি চিন্তিত হতাম, কী হচ্ছে-না হচ্ছে। এটা পুরোপুরি হ্যারেসমেন্ট। আমাদের তিনজনের নাম ব্যবহার করে এখানে হ্যারেসমেন্ট করা হচ্ছে, এ ছাড়া আর কিছুই না।’
বরং যে কেসটা করেছে তার বিরুদ্ধে হ্যারেস করার অভিযোগে মামলা করার সুযোগ আছে বলে মনে করেন শবনম ফারিয়া।
তিন লাখ ১৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ এবং প্রতারণার অভিযোগে গত ৪ ডিসেম্বর ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন, প্রতিষ্ঠানটির শুভেচ্ছাদূত কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান, অভিনেত্রী মিথিলা এবং প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা শবনম ফারিয়ার নাম উল্লেখ করে ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন সাদ রহমান নামে এক ভুক্তভোগী। বিষয়টি বৃহস্পতিবার রাতে জানাজানি হয়।
