নজর২৪, ঢাকা- বঙ্গোপসাগরের আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এটি নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদে পরিণত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের ওড়িষা উপকূলের দিকে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে দেশের খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা থাকলেও দেশে এখনই শীত জেঁকে বসছে না। বরং আগামী দুই থেকে তিন দিন পর তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। সকালের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।
রোববার (২৮ নভেম্বর) রাতে আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তা ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, আগামী দুই থেকে তিন দিন পর তাপমাত্রা বাড়বে। ফলে শিগগিরই তীব্র শীত জেঁকে বসছে না। সকালের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।
তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে। এই তাপমাত্রা শৈত্যপ্রবাহের কাছাকাছি। তবে আপাতত শৈত্যপ্রবাহের আভাস নেই। সেখানে তাপমাত্রা বাড়বে।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সকালের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
রাতের তাপমাত্রা দেশের পূর্বাঞ্চলে সামান্য বাড়তে পারলেও দেশের অন্যত্র তা তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে । সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা পরিবর্তনের তেমন আভাস নেই।
এর আগে তিন মাসের (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- নভেম্বরে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে ১-২ টি নিম্নচাপ হতে পারে; এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমবে।
ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধে উত্তর, উত্তর পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ১-২ টি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ (সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ও মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বয়ে যেতে পারে।
