আন্তর্জাতিক ডেস্ক- সত্যি বলায় সাতদিনের জন্য তসলিমা নাসরিনকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সম্প্রতি এমন অভিযোগ করেছেন নির্বাসিত এই বাংলাদেশি লেখিকা।
সোমবার (০১ নভেম্বর) এক টুইটার বার্তায় এ অভিযোগ করেন তিনি। তবে কবে থেকে ফেসবুকের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছিলেন সেবিষয়ে কিছু জানাননি তসলিমা নাসরিন।
ওই টুইটার বার্তায় তিনি লিখেছেন, “সত্যি বলার অপরাধে ফেসবুক আমাকে আবারও ৭ দিনের জন্য নিষিদ্ধ করেছে।”
আরেকটি টুইটে বিস্তারিতভাবে বলেন, “ফেসবুক আমাকে নিষিদ্ধ করেছে এটা লেখার জন্য – ইসলামপন্থীরা বাংলাদেশি হিন্দুদের ঘরবাড়ি ও মন্দির ধ্বংস করেছে এই বিশ্বাস করে যে হিন্দুরা হনুমানের কোলের উপর কুরআন রেখেছে। কিন্তু যখন জানা গেল ইকবাল হোসেন এ কাজ করেছেন, হিন্দুরা নয়, ইসলামপন্থীরা চুপ হয়ে গিয়েছে। তারা ইকবালের বিরুদ্ধে কিছু বলেনি বা কিছু করেনি…’
একই দিন দুপুর ১টা ২৭মিনিটে আরেক টুইটে ভারতের ধর্ম নিরপেক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন তসলিমা নাসরিন। তিনি বলেন, ‘হিন্দুরা আজমির শরিফ দরগাহ, নিজামউদ্দিন দরগাহর মতো বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থনা করেন। সালমান খান গণেশ চতুর্থী পালন করেন, শাহরুখ খান সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরে প্রার্থনা করেন। এটাই ভারতবর্ষ।’
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৬ মার্চেও ফেসবুক তাদের প্ল্যাটফর্মে তসলিমা নাসরিনকে ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করেছিল। ২০১৫ সালে একবার তার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে রেখেছিল সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যম। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকের নীতি লঙ্ঘন করায় তার অনেক পোস্ট মুছে ফেলে এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।
