নজর২৪ ডেস্ক- কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখায় প্রধান অভিয়ুক্ত ইকবাল হোসেন মণ্ডপের হনুমানের হাতের গদাটি এলাকার একটি পুকুরে ফেলে দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ইকবালকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম তানভীর আহমেদ।
ধর্ম অবমাননার মামলায় ইকবালসহ চার জনকে শনিবার সাত দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।
অন্য আসামিরা হলেন, মণ্ডপে কোরআন পাওয়ার তথ্য ৯৯৯-এ কল করে জানানো ইকরাম হোসেন এবং নগরীর শাহ আবদুল্লাহ গাজীপুরি (রা.)-এর মাজারের সহকারী খাদেম হুমায়ুন আহমেদ ও ফয়সাল আহমেদ। এই মাজারের মসজিদ থেকেই কোরআন নিয়ে মণ্ডপে রাখেন ইকবাল।
কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম তানভীর আহমেদ শনিবার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘ইকবাল মণ্ডপে কোরআন রাখার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। এ মামলার চার আসামিকেই রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘মণ্ডপে কোরআন রাখার পর হনুমানের গদা নিয়ে ইকবালের চলে যাওয়ার দৃশ্য এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ইকবাল গদাটি পরে একটি পুকুরে ফেলে দেন।’
তবে পুকুরটির অবস্থান সুনির্দিষ্ট করে জানাননি তানভীর আহমেদ।
এক প্রশ্নের জবাবে দিনি বলেন, ‘ইকবাল কোরআন রাখার পর মণ্ডপে সহিংসতার সময়েও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তার পিছনে আরও কারা আছে, আমরা খতিয়ে দেখছি।’
