বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক- চারদিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো শুক্রবার মধ্যরাতের পর ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রামে সমস্যার সৃষ্টি হয়। ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করা ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠাতে না পারার কথা জানান অনেক ব্যবহারকারী।
সে কথা স্বীকার করে ফেসবুক সমস্যার জন্য ক্ষমা ও চেয়েছে। যদিও বৃহত্তর ক্ষেত্রে শুক্রবার পরিসেবায় কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি।
বিষয়টি স্বীকার করেছেন ফেসবুকের একজন মুখপাত্রও। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টকে তিনি বলেন, ‘কিছু মানুষ আমাদের অ্যাপস ও বিভিন্ন সেবায় প্রবেশে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত আছি। যত দ্রুত সম্ভব স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি। যেকোনো ধরনের অসুবিধার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’
অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ‘ডাউন ডিটেক্টর’-এ দেখা যায়, পূর্ব ইউরোপীয় সময় শুক্রবার বিকেল ৩টা নাগাদ অনেকে ইনস্টাগ্রামে ঢুকতে না পারার সমস্যার কথা জানিয়েছেন। আর ফেসবুক ডাউন পাওয়ার রিপোর্ট করেছেন প্রায় ২ হাজার ব্যবহারকারী।
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের অ্যাপে প্রবেশে সমস্যা হচ্ছে- এ অভিযোগ জানাতে অনেকে বেছে নেন টুইটার। বিষয়টি নিয়ে টুইটে হতাশাও প্রকাশ করেন অনেকে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দুটির অ্যাপ ডাউন নিয়ে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ অধিকাংশ দেশ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
এর আগে ৫ অক্টোবর ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে বড় ধরনের বিভ্রাট ঘটে। ছয় ঘণ্টার বেশি সময় বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রবেশ করা যায়নি এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মে।
বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১০টা থেকে হঠাৎ করেই ফেসবুক চালাতে অসুবিধার সম্মুখীন হন ব্যবহারকারীরা। পরে মঙ্গলবার ভোর রাত ৪টার দিকে ফেসবুক সার্ভার ধীরে ধীরে সচল হতে শুরু করে।
তিনটি অ্যাপই ফেসবুকের মালিকানাধীন। ফেসবুকের ইতিহাসে এটা সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। ওই ঘটনার জন্যও ক্ষমা চায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চ জানিয়েছিল, ফাস্টলি নামের একটি ক্লাউড নেটওয়ার্কিং কোম্পানিতে প্রযুক্তিগত জটিলতায় এ সমস্যা দেখা দেয়।
