সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের দিকে নজর বাড়াচ্ছে সরকার!

নজর২৪ ডেস্ক- আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের প্রতি পাঁচ বছর পরপর বাধ্যতামূলকভাবে সম্পদের হিসাব দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে এ বিধান অতীতে তেমন মানা হয়নি। সেজন্য এবার কঠোর হয়েছে সরকার। সম্পদের হিসাবের বিধান মানাতে দেওয়া হয়েছে চিঠি। হিসাব দেওয়ার পর তা করা হবে বিশ্লেষণ। অসঙ্গতি থাকলে দিতে হবে ব্যাখ্যা।

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর নির্দেশনার আলোকে সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অন্য সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শৃঙ্খলা ও তদন্ত) এএফএম হায়াতুল্লাহ বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী পাঁচ বছর পরপর সম্পদের হ্রাস–বৃদ্ধির বিবরণী নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হয়। অনেকেই এ চর্চা ঠিকমতো করেন না বলে চিঠির মাধ্যমে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘কারো সম্পদের হিসাবে অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হলে তাকে প্রশ্ন করা হবে, ব্যাখ্যাও দিতে হবে।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য সম্পদের এ হিসাব চাওয়া হয়েছে। হিসাবে অসঙ্গতি থাকলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিভাগ সেটি দেখবে।’

 

জানা গেছে, অফিস আদেশে হিসাব দেওয়ার সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি। সেজন্য আদেশ জারির দুই মাস পেরিয়ে গেলেও সম্পদের হিসাব দেওয়ার কোনো তাগিদ নেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সম্পদের হিসাব ইস্যুতে যে আদেশ জারি করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো তেমন সাড়া নেই। এ ক্ষেত্রে অনেকটা গা-ছাড়া ভাব দেখা যাচ্ছে।’

 

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘না, না, এরকম কিছু না; তারা সম্পদের হিসাব দিয়ে দেবেন ইনশাহ আল্লাহ।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *