বিনোদন ডেস্ক- বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও গায়িকা রাফিয়াত রশিদ মিথিলা চলতি বছর ‘অমানুষ’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে নাম লেখান। সম্প্রতি অনন্য মামুন পরিচালিত সিনেমাটির শুটিং শেষ হয়েছে।
এ সিনেমাটি শেষ হওয়ার আগেই টানা শুটিং করে কলকাতায় ‘মায়া’ সিনেমার কাজ শেষ করেছেন তিনি। রাজর্ষি দে পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এইরমধ্যে যুক্ত হলেন দুই বাংলার আলোচিত নির্মাতা রিঙ্গোর ‘আ রিভার ইন হ্যাভেন’ নামের সিনেমায়।
মিথিলা স্বামী সৃজিতের সঙ্গে মুম্বাইয়ে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে সংবাদমাধ্যমকে এই অভিনেত্রী জানালেন, সিনামাটিতে তাকে দেখা যাবে বাচ্চা না হওয়া এক স্ত্রীর চরিত্রে। তার চরিত্রের শুটিং শুরু হবে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে। তার আগেই শেষ করবেন ‘মায়া’র ডাবিং।
‘মায়া’র শুটিং শেষ করে মিথিলা মাঝে গিয়েছিলেন মুম্বাই। তবে সেটি তার জন্যে নয়, স্বামী সৃজিতের জন্য। কারণ, এই নির্মাতার প্রজেক্ট চলছে সেখানে। সেখান থেকে মিথিলা তার কন্যাকে নিয়ে শুক্রবার (২৭ আগস্ট) ফিরছিলেন কলকাতায়। ফিরতি পথে বাংলাদেশি গণমাধ্যমকে জানালেন ‘আ রিভার ইন হ্যাভেন’-এর কথা।
ছবিটিতে তার চরিত্র প্রসঙ্গে বলেন, ‘ম্যারেড মেয়ে, বাচ্চা হয় না। সামাজিক-পারিবারিক চাপ রয়েছে এটা নিয়ে। মানে চারপাশ থেকে সাইকোলজিক্যাল টানাপড়েন রয়েছে চরিত্রটির ভেতর। সামহাউ পিতৃতান্ত্রিক সমাজের প্রতিচ্ছবিও উঠে আসবে আমার মাধ্যমে। কারণ, বাচ্চা না হওয়ার প্রবলেমটা হয়তো হাজবেন্ডের। কিন্তু দায়টা বহন করতে হচ্ছে আমাকেই! এরমধ্যেও নিজের একটা আলাদা জীবন খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা থাকে। মোটামুটি এমনই একটি চরিত্র।’
চরিত্রটি পেয়ে বেজায় খুশি মিথিলা। তার ভাষায়, ‘আমি সাম্প্রতিক সময়ে এই চরিত্রগুলোতেই কাজ করার চেষ্টা করছি। এতে আমার সহশিল্পী চান্দ্রয়ী ও অমৃতা। দু’জনই ভালো অভিনেত্রী। তিনটি চরিত্রই বেশ স্ট্রং। এ ছবিটির চিত্রনাট্য অনেকটা নদীর ধারার মতো। চারপাশ থেকে সব নদী এসে গঙ্গায় মিশে যাওয়ার মতো। রিঙ্গো দা যে মেধাবী নির্মাতা, সেটারই প্রতিচ্ছবি পেলাম চিত্রনাট্যে।’
ঢাকা টু কলকাতায় রিঙ্গোর পরিচিতি ও প্রভাব টানা তিন দশক ধরেই। কিন্তু ঢাকার মিথিলা কলকাতায় পা ফেলেই তার নজরে এলেন কেমন করে!
জবাবে মিথিলা বললেন, ‘রিঙ্গো দা আমাকে চিনতেন আগে থেকেই। কারণ, ঢাকার দিকে তার নজর সব সময়ই ছিল। এখন আমি ইন্ডিয়ায় আছি। কাজও শুরু করেছি এখানে। তিনি আমার সাম্প্রতিক কাজও দেখেছেন বলে জেনেছি। তাই পিক করেছেন। এবং এটা আমার জন্য আশীর্বাদের মতো।’
