নজর২৪ ডেস্ক- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর বনানী থানায় করা মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির জামিন আবেদনের ওপর শুনানি পিছিয়েছে।
মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তা কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিকে ফের ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক শুনানির নতুন তারিখ দিয়েছেন বৃহস্পতিবার।
ঢাকার মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাসের আদালত বুধবার এ আদেশ দেন।
এর আগে পরীমনি আজ জামিন পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন তার আইনজীবী মজিবুর রহমান।
বুধবার (১৮ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাসের আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মুজিবুর রহমান ও নীলাঞ্জনা রিফাত সৌরভীসহ আরও অনেকে জামিনের জন্য শুনানি করতে আসেন।
কিন্তু আদালতের বিচারক তাদেরকে বলেন, যেহেতু পরীমণির আবারও পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে তাই আজকে শুনানি করা সম্ভব না। পরবর্তী সময়ে আদালত রিমান্ড ও জামিনের শুনানি জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছেন।
আদালত থেকে বের হয়ে পরীমণির আইনজীবী মুজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা আজকে পরীমণির জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য আদালতে এসেছি। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশ পরীমণির আবারও পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করার কারণে আদালত রিমান্ড ও জামিন শুনানির জন্য আগামীকাল ধার্য করেছেন।
তিনি বলেন, তৃতীয়বারের মতো ৫ দিনের রিমান্ড চেয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, কিন্তু আমরা সেটার কপি এখনও হাতে পাইনি। তবে আমরা আদালতের বিচারকের কাছ থেকে জানলাম যে পরীমণির বিরুদ্ধে ফের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। তাই আজকে জামিন শুনানি করা সম্ভব নয়। আগামীকাল দেখবো এবং সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রধান করবো। কেন তারা বার বার রিমান্ড চাচ্ছেন এবং কী তাদের প্রয়োজন। কী এমন আর বিষয় আছে যার কারণে পরীমণিকে বার বার রিমান্ডে নিতে হবে। সেটা আমরা কালকের শুনানিতে বলবো।
তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন- মাদকের এই ধরনের মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছরের হয়। এই ধরনের একটা মামলায় তাকে বার বার রিমান্ডে নেওয়ার কোনও প্রয়োজন আমি মনে করি না।
গত ৪ আগস্ট পরীমনির বাসায় অভিযানে যায় র্যাব। ওই দিন তার বাসা থেকে বিপুল মাদক সামগ্রী উদ্ধারের কথা জানায় বাহিনীটি। এ ঘটনায় বনানী থানায় মামলা হয় পরীমনির নামে।
র্যাবের করা মাদক মামলায় পরীমনিকে দুই দফা রিমান্ড শেষে গত ১৩ আগস্ট কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি বর্তমানে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত কক্ষে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
