নজর২৪, ঢাকা- সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর সুবিধার (পেনশন) আগের বিধানই বহাল রেখেছে মন্ত্রিসভা। অর্থাৎ অবসরে গিয়ে কোনো কর্মচারী দুর্নীতির কারণে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে সরকার তার পেনশন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বাতিল, স্থগিত বা প্রত্যাহার করতে পারবে।
সোমবার (২৬ জুলাই) পেনশন থেকে টাকা কেটে নেওয়ার বিধান বাদ দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব ওঠালে তা অনুমোদন না দিয়ে বহাল রাখে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর কয়েকটি ধারা সংশোধেনের প্রস্তাব আনা হয়েছিল। আইনের ৫১ (৪) ধারায় বলা হয়েছে- অবসর সুবিধাভোগী কোনো ব্যক্তি গুরুতর অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত বা কোনো গুরুতর অসদাচরণে দোষী সাব্যস্ত হলে, কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ তার অবসর সুবিধা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বাতিল, স্থগিত বা প্রত্যাহার করতে পারবে। এ ধারাটি বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছিল। ক্যাবিনেট (মন্ত্রিপরিষদ) তাতে রাজি হয়নি। ক্যাবিনেট আগেরটিই বহাল রেখেছে।
অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) থাকা সরকারি কর্মীদের বিদেশ যেতে বা অন্য কোথাও চাকরিতে যোগ দিতে অনুমতি লাগে না। এ ধারা সংশোধন করে সরকারের অনুমতি নেওয়ার বিধান যুক্তের প্রস্তাব করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মন্ত্রিসভা তাও অনুমোদন করেনি। তবে আগের আইনে কিছু করণিক ভুল ছিল। সংশোধিত আইনে সেগুলো ঠিক করে দেয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
