নজর২৪, চট্টগ্রাম- চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন মেয়র পদে বিএনপি থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ডা. শাহাদাত হোসেন।
চট্টগ্রামের প্রথম যুগ্ম জেলা জজ (নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের ) খায়রুল আমিনের আদালতে বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টায় এ মামলা করেন তিনি।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, মেয়রপ্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন চসিক নির্বাচনের ভোটের হিসাব চেয়ে এখনও পাননি। কোনো কেন্দ্র থেকে ইভিএমের প্রিন্ট কপি দেয়া হয়নি। নির্বাচনে তাকে জোর করে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। ভোটের দিন দুপুর পর্যন্ত ৪ থেকে ৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। কিন্তু ভোটের হিসাবে দেখানো হয়েছে ২২ শতাংশ ভোট পড়েছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী রেজাউল করিম সর্বোচ্চ ২৫ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন। কিন্তু তাকে আরও সাড়ে তিন লাখ ভোট যোগ করে মেয়র বানানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার বাদী ডা. শাহাদাত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, মামলার ফল বাতিল চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ৯ জনের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগে মামলা করেছি। গত চসিক নির্বাচনে আমাকে জোর করে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। নৌকা প্রতীক পাওয়ার পর থেকে চসিক কর্মকর্তারা রেজাউল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছিল। এ থেকে বুঝা যায় আওয়ামী লীগ শুধু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে।
প্রসঙ্গত গত ২৭ জানুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন হয়। এতে আওয়ামী লীগের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা রেজাউল করিম বিপুল ভোটে জয়ী হন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির প্রার্থী ছাড়াও আরো পাঁচ প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
