মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার সময়ের দাবি: এরদোগান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- তুরস্কের সংবিধান পরিবর্তনের বিষয় জানিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, ‘তুরস্কের নতুন সংবিধান নিয়ে আলোচনার সময় হয়েছে।’

 

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) আঙ্কারায় প্রেসিডেন্ট কমপ্লেক্সে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

 

এরদোগান বলেন, ‘পিপলস অ্যালায়েন্সে অংশীদারদের সাথে (এমএইচপি) সমঝোতায় পৌঁছাতে পারলে আমরা একটি নতুন সংবিধান প্রস্তুত করার পদক্ষেপ নেব, যার খসড়াটি হবে স্বচ্ছ।’

 

সংবিধান সংস্কারের ব্যাখ্যা দিয়ে এরদোগান বলেন, ১৯৬০ সালের পর থেকে দুই দফা সেনা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে প্রণিত সংবিধানই তুরস্কের বর্তমান সমস্যার মূল কারণ।

 

এরদোগান বলেন, ’এর আগেও বেশ কয়েকবার আমরা সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু বিরোধী সিএইচপি দলের বিরোধিতা করার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি।’

 

তিনি বলেন, সংস্কার মানে পরিবর্তন নয়। বরং যুগ ও দেশের মানুষের চাহিদা বা প্রয়োজন অনুযায়ী সংবিধানকে নবায়ন করা। এর আগে ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুরস্কের সংবিধানের পরিবর্তন আনা হয়েছিল। এরদোগান ও তার সমর্থকরা সে সময় বলেছিলেন, তুরস্কে অতীতের মতো ভঙ্গুর কোয়ালিশন সরকারব্যবস্থা যাতে ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করতে নির্বাহী ক্ষমতাসম্পন্ন প্রেসিডেন্ট প্রয়োজন।

 

এরদোগান বলেন, শিগগির সংস্কার প্রস্তাবনা প্রকাশ করা হবে। সোমবার স্থানীয় আঙ্কারার প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে দেয়া এক ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। এরদোগান তার বক্তব্যে মুদ্রাবাজারে তুরস্কের লিরার স্থিতিশীলতার দিকে গুরুত্বারূপ করেন।

 

করোনা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে এরদোগান বলেন, আমরা আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুলগুলো আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি খুলে দেব। তবে যদি করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় তখন তা পুনরায় বন্ধ করে দেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *