পোস্টারে পোস্টারে সয়লাব মেট্রোরেল

মেট্রোরেলের যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। রাজধানীবাসী এখন উত্তরা থেকে মতিঝিল যেতে পারছে স্বল্প সময়েই। এ নিয়ে যাত্রীরা যেমন উচ্ছ্বসিত তেমনি মেট্রোরেলের কোচের ভিতরের পরিপাট্য ও বাহিরের নান্দনিক অবকাঠামো দেখে মুগ্ধ। অন্তত এতদিন তো তাই ছিলেন।

কিন্তু দেশের আর দশটা জায়গার মতই মেট্রোরেলের অন্দরে হানা দিয়েছে পোস্টার। যা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবিতে দেখা যায় একটি কোম্পানি তাদের ফ্রিজের বিজ্ঞাপন দিয়ে রীতিমত ছেয়ে ফেলেছে মেট্রোরেলের কোচের ভিতরটা। শুধু তাই নয় মেট্রোরেলের আন্তঃ ও বর্হিগমন ডোরওয়ের গায়েও লাগানো হয়েছে পোস্টার।

ফেসবুকে এসব ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হলে কমেন্টবক্সে নেটিজেনদের হতাশা প্রকাশ করতে দেখা যায়। তবে মেট্রোরেলের কোচের ভিতরে বিজ্ঞাপন নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। একজন মন্তব্য করেছেন, পৃথিবীর সব দেশের মেট্রোরেলে বিজ্ঞাপন দিতে দেখা যায়।

যদিও উষ্মা প্রকাশ করা নেটিজেনদের সংখ্যাই বেশি। তারা মন্তব্য করেন, যারা এমন কাজ করেছে তাদেরকে অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

এর আগে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মেট্রোরেলের পিলারে রাতারাতি পোস্টারে ছেয়ে যেতে দেখা যায়। সেসময়ও সাধারণ নাগরিকরা উষ্মা প্রকাশ করেন।

এসব ‘অপকর্ম’ বন্ধে মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) অনুরোধে সেসময় অভিযানও পরিচালনা করেছে সিটি করেপোরেশন।

গত আগস্টে পোস্টার লাগানোর অভিযোগ গ্রেফতার করা হয় ১৮ জনকে। যদিও এমন অভিযান খুব একটা কাজে আসে না। এমনকি দিনের বেলাতেও লাগানো হচ্ছে পোস্টার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *