সাকিব আল হাসানের চোট নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে হারের দিনে এসেছিল বড় অস্বস্তি হয়ে। ব্যাটিংয়ের সময়ে ক্র্যাম্প হওয়ার পরও অবশ্য ঠিকই ১০ ওভার বল করেন সাকিব। তবে ম্যাচের পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় স্ক্যানিংয়ে।
তার ফলটা কী? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিসিবি। সকালে টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন অবশ্য জানিয়েছিলেন, ব্যথা কমেছে। ভারতের বিপক্ষে ১৯ অক্টোবর তার খেলার ব্যাপারেও আশাবাদী ছিলেন তিনি। যদিও বিসিবি বলছে, এখনও পর্যবেক্ষণে আছেন সাকিব।
চেন্নাইয়ে শুক্রবার নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সময় পেশিতে টান লাগায় ভুগতে দেখা যায় সাকিবকে। বেশ কিছুক্ষণ শুশ্রূষা নিয়ে পরে আবার ব্যাটিং শুরু করেন তিনি। তবে এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। সব মিলিয়ে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৫১ বলে করেন ৪০ রান।
পরে ফিল্ডিংয়ে শুরু থেকে মাঠে ছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ওপেনার ডেভন কনওয়ের উইকেটেসহ ১০ ওভারে তার খরচ ৫৪ রান। নিজের কোটা শেষ করেই তিনি বেরিয়ে যান। শেষের ওই সময়টুকু মাঠ পরিচালনা করেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
ম্যাচ শেষ হওয়া মাত্রই সাকিবকে নিয়ে যাওয়া হয় স্ক্যানের জন্য। সেই স্ক্যানের রিপোর্ট পাওয়ার পর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাকিবের চোটের ব্যাপারে টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত জানান ফিজিও বায়েজিদ।
“ব্যাটিংয়ের সময় বাম ঊরুর পেশিতে অস্বস্তি অনুভব করেন তিনি (সাকিব)। পরে তিনি ফিল্ডিং করেছেন, নিজের কোটার দশ ওভার বোলিং করেছেন। ম্যাচ শেষে তার এমআরআই স্ক্যান করানো হয়েছে। সামনের ম্যাচগুলোর জন্য আমরা তার ফিটনেস পর্যবেক্ষণ করব। আমরা দিন থেকে দিনে তার উন্নতি মূল্যায়ন করে যথাযথ পদক্ষেপ নেব।”
ঊরুর পেশির চোটে সাধারণত সামলানোটাই মূল ব্যাপার। আগামী কয়েক দিন সেটিরই চেষ্টা করবে টিম ম্যানেজমেন্ট।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চেন্নাইয়ে করা স্ক্যান রিপোর্টে ঊরুর পেশিতে কোনো ক্ষত ধরা পড়েনি। বাঁ-ঊরুর পেশিতে ব্যথা থাকায় বিশ্রামে থাকতে বলা হয়েছে। ১৯ অক্টোবর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে থাকবেন অধিনায়ক। ব্যথা না থাকলে ম্যাচ খেলতে পারেন তিনি।
