যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ দুইটাই শেহজাদ খান বীরের দেশ: বুবলী

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস আবার এক হচ্ছেন বলে গত কয়েক মাস ধরে গুঞ্জন চলছে। বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয় দুজন একসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে ঘোরাঘুরিতে। গত ২৭ জুলাই সন্তান আব্রাম খান জয়সহ দেশে ফিরেছেন অপু। তবে শাকিব খান এখনো যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন।

এক সেলিব্রিটি শোতে অংশ নিতে ১২ জুলাই সন্তান আব্রাম খান জয়কে সঙ্গে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান অপু বিশ্বাস। যাওয়ার পর পরই শাকিব খানের সঙ্গে দেখা হয় অপু বিশ্বাসের। এর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শপিংমলসহ নানা দর্শনীয় জায়গায় সন্তানসহ ঘুরতে দেখা যায় তাদের।

ঘোরাঘুরির স্থিরচিত্র আর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরালও হয়। এতে অনেকে ভেবেছেন, দ্রুতই তারা হয়তো একসঙ্গে, এক ছাদের নিচে বসবাস শুরু করবেন। তবে এ বিষয়ে অপু ইঙ্গিতপূর্ণ নানা কথা বললেও শাকিব খান কিছুই বলেননি।

শাকিব খানের আরেক সন্তান শেহজাদ খান বীরের মা চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী এ নিয়ে কী ভাবছেন? সন্তান জয়কে নিয়ে শাকিব–অপুর দেশের বাইরে ঘোরাফেরার বিষয়টি কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে বুবলী জানালেন, ‘আমার জীবনের প্রথম প্রায়োরিটি আমার সন্তান শেহজাদ।

আমাকে তার বাবার দায়িত্বও পালন করতে হয়, মায়ের দায়িত্বও পালন করতে হয়। তার টেককেয়ার করাই এখন আমার ব্যস্ততা। এর বাইরে আমি অন্য কিছু শুনছিও না, দেখছিও না, ভাবছিও না। এসব ব্যাপারে কথাও বলতে চাই না।’

তাহলে কি শাকিব খান তাঁর ছোট সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালন করছেন না—এমন প্রশ্নে বুবলী বলেন, ‘আমি যে বললাম, শেহজাদের জন্য আমাকে বাবার দায়িত্বও পালন করতে হয়, মায়ের দায়িত্বও পালন করতে হয়—এই কথাটার মধ্যে উত্তর আছে। শেহজাদের বিষয়টি সামনে আসার পর থেকে অনেকে অনেক কিছুই সামনে আনার চেষ্টা করেছে, এখনো করছে। তাই ওসব নিয়ে ভাবি না। এসব কারণেই এখন আমার সবকিছু ঘিরেই শেহজাদ। ও কীভাবে ভালো থাকবে, সুখে থাকবে, এটা নিয়েই ভাবি। নানা দিক থেকে নানা ধরনের কথা মিডিয়ায় ভেসে আসে। এসব বিষয়ের সঙ্গে শেহজাদ তো অভ্যস্ত না। এ জন্য সে কীভাবে সুখী হবে, সেটাই আমার দেখার দায়িত্ব।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে যখন সন্তান জয়কে সঙ্গে নিয়ে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন, তখন চাউর হয় বুবলীও যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন। বিমানবন্দরে তোলা বুবলীর একটি সেলফি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রসঙ্গে বুবলী বলেন, ‘ফেসবুকে আমিও দেখেছি। সম্ভবত অনেক আগে বিমানবন্দরে তোলা আমার একটি ছবিকে ঘিরে গুজব তৈরি করেছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন খবর।’

বুবলী আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে তো শেহজাদের জন্ম। ওর জন্মের পর এক বছর আমরা দুজন সেখানে ছিলাম। দেশটি আমাদের জন্য শুধুই আশীর্বাদ নয়, আবেগেরও জায়গা। সেখানে আমি আর শেহজাদ যেকোনো সময়ই যেতে পারি। যুক্তরাষ্ট্রও তার দেশ, বাংলাদেশও তার দেশ। সুতরাং আমরা তো যেতেই পারি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *