কয়লার অভাবে বন্ধ হলো পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন

সাময়িকভাবে বন্ধ হলো দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। কয়লা সংকটে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে। কয়লা এলে আগামী ২০/২৫ দিন পর আবার উৎপাদন শুরু হতে পারে।

পায়রার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ থেকে কয়েকগুণ বেশি লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, চিন ও বাংলাদেশের যৌথ বিনিয়োগে ২০২০ সালে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। কেন্দ্রটি চালানোর জন্য কয়লা কিনতে ঋণ দিয়ে আসছে চায়না ন্যাশনাল মেশিনারী ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি (সিএমসি)। এপ্রিল পর্যন্ত কয়লার ৩৯০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া বিল পরিশোধ না করায় কয়লা সরবরাহ বন্ধ করে দেয় সিএমসি। তবে নতুন করে কয়লা আমদানির জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০ মিলিয়ন ডলার সংস্থান করে দিয়েছে। ইতোমধ্যে এলসি খোলা হয়েছে। চলতি মাসের ২৫ জুন কয়লা আসার কথা রয়েছে। তখন আবারও চালু হবে বিদ্যুৎ উৎপাদন।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সহকারী ব্যবস্থাপক শাহ মনি জিকো বলেন, ১২টা ৪০মিনিটে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এর বাইলে আর কোনো তথ্য এই মুহূর্তে বলতে পারছি না।

কয়লা সংকটের কারণে ২৫ মে থেকে এর একটি ইউনিট বন্ধ ছিল, দ্বিতীয় ইউনিটটিও আজ বন্ধ হয়ে গেল। এতে পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ লোডশেডিং দেখা দিতে পারে। এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র বরিশাল ও খুলনা এবং ঢাকার কিছু অংশের জন্য বিদ্যুতের নির্ভরযোগ্য উৎস‌ ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *